কুমিল্লার মুরাদনগরের নবম শ্রেণির একজন ছাত্রীর (১৬) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, চাচাতো ভাই জাকির বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ধর্ষণ করে। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে সে। বিয়ে করতে অস্বীকার করায় ছাত্রী রাগের বশে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্রীর চাচাতো ভাই জাকির হোসেন ও তার বোন ডলি আক্তার পলাতক রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বিকালে বাঙ্গরা বাজার থানার পুলিশ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে একই দিন দুপুরে চাচা হারিছ মিয়ার ঘরে গলায় দড়ি লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অভিযুক্ত জাকির হোসেন (৩৫) রামচন্দ্রপুর এলাকার কাঠালিয়াকান্দা গ্রামের মৃত কালা গাজীর ছেলে। তার সংসারে স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।
ছাত্রীর মা জানান, তিন সন্তানের জনক জাকির হোসেন বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছে। এতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। জাকিরকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে জাকির ও তার বোন ডলি আক্তার তাকে মারধর করে। এতে মেয়ে আত্মহত্যা করে।
এবিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘ছাত্রীর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (কুমেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেডিক্যাল রির্পোটের ওপর ভিত্তি করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’