অস্বস্তিকর গরমে নাকাল হয়ে পড়েছে রাজিবপুরের জনজীবন। তীব্র গরমে ঘরের ভেতরও স্বস্তি নেই। সূর্য ওঠার পর থেকে শহর, গ্রাম, সড়ক, বাজারে মানুষের চলাচল কমে গেছে। দিনের বেলায় প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। এছাড়া বৃষ্টি না হওয়ায় ও প্রখর রোদের কারণে ফসলি জমি ফেটে যাচ্ছে। পুড়ে যাচ্ছে ফসলও। তাপপ্রবাহ ও গরমে রাজিবপুরে হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়া, সর্দি-জ্বরসহ নানা রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে।
এ অবস্থায় চিকিৎসকরা গরমে প্রয়োজন ছাড়া বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, মানুষজন গরমে একটু স্বস্তির আশায় বাড়ির আঙিনায়, সড়কে গাছের নিচে বসে আছে।
রিকশাচালক এরশাদ জানান, ‘সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৭০ টাকা ভাড়া মেরেছি। গরমে রাস্তায় টেকা যায় না। বাজার ঘাটে সড়কে মানুষের চলাচল খুব কম।’
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যৈষ্ঠ পর্যবেক্ষক আব্দুস সবুর মিয়া জানান, সোমবার গত ২৪ ঘণ্টায় রাজিবপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি।