ঝুঁকিপূর্ণ কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের বেইলি সেতু 

কক্সবাজার-টেকনাফ হাইওয়ে সড়ক হোয়াইক্যং ইউনিয়ন ঝিমংখালি এলাকার বেইলি সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
 
২০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট চওড়া সেতুটির প্রায় অংশ গর্ত হয়ে গেছে। বেইলি সেতুটির ধারণ ক্ষমতা ৫টন থাকলেও এর অধিক ধারণক্ষমতা নিয়ে প্রতিদিন শত শত বিভিন্ন ধরণের মালবাহী ট্রাক, ডাম্পার, বাসসহ অসংখ্য গাড়ি এই সেতু দিয়ে পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয় ঝিমংখালির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার মোহাম্মদ জাকরিয়া জানান, কক্সবাজার-টেকনাফ হাইওয়ে সড়ক ঝিমংখালী এলাকায় অবস্থিত বেইলি সেতুর লোহার পাতগুলো ক্ষয় ও ফাটল হয়ে গর্ত হওয়ার কারনে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। এই সেতুতে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। প্রতিদিন বিদ্যালয়ের ৭-৮শ শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হেঁটে সেতু পার হয়।

এছাড়া এই সেতুর কারণে ঝিমংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি প্রতি বছর পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী জানান, সড়ক ও জনপদ বিভাগ এই বেইলি সেতুটি দীর্ঘদিন আগে নির্মাণ করেছিল। সেতুটি কক্সবাজার-টেকনাফ প্রধান সড়কের মানুষ যাতায়াত করেন। এই সেতুটি কক্সবাজার-টেকনাফ চলাচলের একমাত্র সেতু। বিকল্প আর কোন সড়ক বা সেতু নেই। সেতুটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।

কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ প্রকৌশলী মোস্তফা মুন্সি জানান, নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষার পরে নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। কাজ শুরু হলে কক্সবাজার-টেকনাফ হাইওয়ে সড়কের ঝিমংখালির ঝুকিপূর্ণ বেইলি সেতুটি ভেঙে নতুন ব্রিজ করা হবে।