বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের বহুমাত্রিকতা

সমগ্র বিশ্বে পর্যটন শিল্প একটি অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক খাত হিসাবে সুপরিচিত। পর্যটন বর্তমান আধুনিক বিশ্বে একটি বৃহত্তম শিল্পে পরিণত হয়েছে। পর্যটন শিল্প পৃথিবীর একক বৃহত্তম শিল্প হিসেবে স্বীকৃত, প্রায় ১০৯টি শিল্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। পর্যটন বর্তমানে পৃথিবীর অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের হাতিয়ার। পর্যটনের মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়ে থাকে। ২০১৭ সালে বিশ্বের জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ছিল ১০.৪ শতাংশ যা ২০২৭ সালে ১১.৭ শতাংশে গিয়ে পৌঁছাবে। এছাড়া ২০১৭ সালে পর্যটকদের ভ্রমণখাতে ব্যয় হয়েছে ১৮৯৪.২ বিলিয়ন ডলার। আর একই বছর পর্যটনে বিনিয়োগ হয়েছে ৮৮২.৪ বিলিয়ন ডলার। পর্যটনকে বলা হয় একটি শ্রমবহুল ও কর্মসংস্থান তৈরির অন্যতম হাতিয়ার।

বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশ এই শিল্পে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপি খাতে পর্যটনশিল্পের মোট অবদান ছিল ৮৫০.৭ বিলিয়ন টাকা। এইখাতে কর্মস্থান তৈরি হয়েছে মোট ২৪ লাখ ৩২ হাজারটি। একই বছর পর্যটন খাতে বিনিয়োগ এসেছে ৮৩ বিলিয়ন টাকা। বিশ্বায়নের পরিপ্রেক্ষিতে পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সাধন করাই হলো বাংলাদেশের পর্যটনের মূল মন্ত্র। অপূর্ব সৌন্দর্যের আধার বাংলাদেশ, যার প্রাকৃতিক রূপ বৈচিত্র্যের কোনো অভাব নেই। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামের অকৃত্রিম সৈন্দর্য, সিলেটের সবুজ অরণ্যসহ আরো অনেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের বাংলাদেশ। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পৃথিবীর একমাত্র দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্রসৈকত যা আর পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই। ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতটিতে কাদার অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। তাইতো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সমুদ্রসৈকতের চেয়ে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ এবং এর রয়েছে অপার সম্ভাবনা। বর্তমানে কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে নেওয়া হচ্ছে নানা পরিকল্পনা। সম্প্রতি কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সাগরের পাড় বেঁধে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে দিবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটক আকর্ষণে কক্সবাজারে তিনটি পর্যটন পার্ক তৈরির পরিকল্পনা করেছে বর্তমান সরকার। প্রতিবছরে এতে বাড়তি ২শ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই তিনটি ট্যুরিজম পার্ক হলো সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক, নাফ ট্যুরিজম পার্ক এবং সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক। এইবছর রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার পর্যটন খাতে আয় হয়েছে। এইসময়ে প্রায় ৬ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণ করেছে।

সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি। এর মোট বনভূমির ৬০ শতাংশ অর্থাত্ ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ রয়েছে ভারতের মধ্যে। সুন্দরবন ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে সঙ্গে এই বনের জীববৈচিত্র্য এটিকে পৃথিবীর অন্য যেকোনো পর্যটনকেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্ররূপে উপস্থাপন করেছে। সুন্দরবনকে জালের মতো জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, খাল, শত শাখা নদী, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ক্ষুদ্রায়তন দ্বীপমালা। সুন্দরবনের নামের সঙ্গে যে বিষয়টি নিবিড়ভাবে জড়িত তা হলো বিখ্যাত রয়েল  বেঙ্গল টাইগার। বনভূমিটিতে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও নানান ধরনের পাখি, চিত্রা হরিণ, কুমির, ডলফিন ও সাপসহ অসংখ্য প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত।

পর্যটনের অপার সম্ভাবনার নাম বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল, যা পার্বত্য চট্টগ্রাম নামে অধিক পরিচিত। পার্বত্য চট্টগ্রাম মূলত তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি এলাকা, যা তিনটি জেলা, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন নিয়ে গঠিত। পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটনের মূল উপকরণ হলো পাহাড়ে ঘেরা সবুজ প্রকৃতি যা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপে পর্যটকদের কাছে ধরা দেয়। এটি যেন ক্ষণে ক্ষণে প্রকৃতির রূপ বদলানোর খেলা। এখানে শীতে যেমন এক রূপ ধরা দেয় ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে ঠিক তেমনি বর্ষায় অন্য এক রূপ হাজির হয়। শীতে পাহাড় কুয়াশা আর মেঘের চাদরে যেমন ডাকা থাকে তার সঙ্গে থাকে সোনালি রোদের মিষ্টি আভা। আবার বর্ষায় চারদিক জেগে উঠে সবুজের সমারোহ। এই সময় প্রকৃতি ফিরে পায় নতুন যৌবন। বর্ষায় মূলত অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিস্টদের পদচারণা সবচেয়ে বেশি থাকে এই পার্বত্য অঞ্চলে। তখন এখানে ঝরনা, ঝিরি কিংবা নদীপথগুলো নতুন রূপে সেজে ওঠে যা দেখার জন্য অসংখ্য পর্যটক এইখানে ভিড় করে। এর সঙ্গে আছে পাহাড়ের মানুষের ভিন্নধর্মী জীবনাচরণ যা আমাদের চেয়ে অনেকটা আলাদা।

নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চল। এই শহরে রয়েছে উপমহাদেশের সর্বপ্রথম ও সর্ববৃহত্ চা বাগান মালনীছড়া চা বাগান। এ অঞ্চলে আসা পর্যটকদের মন জুড়ায় সৌন্দর্যের রানি খ্যাত জাফলং, নীল নদ খ্যাত স্বচ্ছ জলরাশির লালাখাল, পাথর জলের মিতালিতে বয়ে যাওয়া বিছনাকান্দির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য, পাহাড় ভেদ করে নেমে আসা পাংথুমাই ঝরনা, সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল, ‘মিনি কক্সবাজার’ হাকালুকি এবং কানাইঘাটের লোভাছড়ার সৌন্দর্য।

বাংলাদেশের হাওর অঞ্চল পর্যটনের আরেক সম্ভাবনার নাম। বাংলাদেশের জেলাসমূহের মধ্যে সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া— এই সাতটি জেলার ৭ লাখ ৮৪ হাজার হেক্টর জলাভূমিতে ৪২৩টি হাওর নিয়ে হাওরাঞ্চল গঠিত। হাওর অঞ্চলের সাগরসদৃশ বিস্তীর্ণ জলরাশির এক অপরূপ মহিমায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকরা নৌকায় বসে বিস্তীর্ণ নীল জলরাশির মায়ায় ভেসে বেড়াতে পারে। হাওরের কোল ঘেঁষে থাকা সীমান্ত নদী, পাহাড়, পাহাড়ি ঝরনা, হাওর-বাঁওড়ের হিজল, করচ, নলখাগড়া বনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নানান প্রজাতির বনজ, জলজ প্রাণী আর হাওরপারের বসবাসকারী মানুষের জীবন-জীবিকার নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হওয়ার মতো খোরাক মিলবে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের।

পানি, হাওর এবং জলাভূমি বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক বিরাট সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। সরকার যদি এ খাতের উন্নয়নে একটি জোরালো উদ্যোগ নেয় এবং কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে, তাহলে রিভারট্যুরিজম থেকে প্রচুর উপার্জন সম্ভব। এই জন্য সরকারে সঠিক পরিকল্পনা ও তার সঠিক বাস্তবায়ন দরকার। পাশাপাশি সমাজের সব মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে নদী ও জলাভূমি রক্ষার আন্দোলনে। অতি সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় পর্যটকবাহী নৌবিহার চালু হয়েছে, যা রিভার ট্যুরিজমের জন্য মাইলফলক। এইভাবে প্রতিবেশী অন্যান্য দেশের সঙ্গে নৌপথে পর্যটন বিস্তার করা যেতে পারে।

পর্যটনশিল্পের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা। এই শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব পক্ষকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে। দেশীয় পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে প্রচার-প্রচারনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। পাশাপাশি এই শিল্পের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। অপরূপ বাংলাদেশটাকেও বিশ্বের মানুষ তাদের অবকাশযাপনের ঠিকানা হিসেবে ভাববে, যদি আমরা মেধাবী ও যোগ্য মানুষদের ঠিক জায়গায় বসাতে পারি। সময়োপযোগী ও পরিকল্পনামাফিক পদক্ষেপ গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে এসব পর্যটন-স্পট যদি পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা যায়, তাহলে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে নবদিগন্তের সূচনা হবে। তবে পর্যটন বলতে শুধু ঘোরাফেরার ধারণা পরিবর্তন করে একে বহুমুখী করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। যাতে এই দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধিত হয়। তবেই অপরূপ বাংলাদেশটাকেও বিশ্বের মানুষ তাদের অবকাশযাপনের ঠিকানা হিসেবে চিন্তা করবে।

কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনে ভ্রমণপিপাসু মানুষজন যখনই একটু সময় পেয়েছে, একটু বিনোদনের তাগিদে সেই সময়টুকুকে যথার্থ এবং সুন্দরভাবে সাজিয়েছে বিনোদনের মধ্য দিয়ে। গত ১০ বছরে লক্ষ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রধান বিনোদনমাধ্যম হচ্ছে পর্যটনশিল্প। হাজারো কর্মব্যস্ততার ভিড়ে মানুষ একটু সময় পেলেই বের হয়ে পড়ে জানা-অজানা বিশাল সৌন্দর্যে ডুব দিতে।

বর্তমানে মানুষ যেহেতু স্বভাবতই বিনোদনপ্রিয়। এবারের ঈদের ছুটিটা সে রকমই ছিল বিনোদনপ্রিয় মানুষের কাছে। এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ভ্রমণপিপাসু মানুষজনের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গিয়েছে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটনের দর্শনীয় স্থানগুলোতে। ৬ লক্ষাধিক দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড়ে এক রোমন্থন রোমান্টিক পরিবেশের জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের সর্ববৃহত্ সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। ৮০ কিলোমিটার জুড়ে দৃষ্টিগোচর মেরিন ড্রাইভ কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পকে আরো দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছে। কক্সবাজার ছাড়াও দেশের বেশ কয়েকটি পর্যটনের স্থানগুলোতে মানুষজনের ছিল উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত পটুয়াখালীর সাগরকন্যাখ্যাত কুয়াকাটাতেও সেটারই উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন দেখা গিয়েছে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমনে। সুন্দরবনে এই ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন লঞ্চ ছেড়ে গিয়েছে এর বিশাল সৌন্দর্য উপভোগ করার তাগিদে। এছাড়াও সিলেটের জাফলং, রাতারগুল ,বিছানাকান্দি, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, লাওয়াছড়া ফরেস্টের বিভিন্ন বন্য প্রাণীর কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জায়গাগুলোতেও দেখা গিয়েছে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দিনাজপুরের হিলি বন্দর এবং কান্তজির মন্দির। এছাড়া বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু গ্রাম সাজেক ভ্যালি, রাঙ্গামাটি। এখানে প্রতিদিন বেশি পর্যটক ভ্রমণ করছে এই ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে।

এছাড়া বাংলাদেশের পর্যটনের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো— যেমন মহাস্থানগড়, ময়নামতি কুমিল্লা, শালবনবিহার, সোমপুর বিহার পাহাড়পুর— সবগুলো স্থানই দৃষ্টি কেড়েছে বাংলাদেশের পর্যটকদের হূদয়ে। বাংলাদেশের সরকার উল্লেখযোগ্যভাবে গত ১০ বছরে পর্যটনশিল্প বিকাশে বিপুল পরিমাণ কাজ করে যাচ্ছে যা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে।  পর্যটকদের ভাষ্যমতে, সম্পূর্ণ সেফটি সিকিউরিটির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে তারা ঘুরতে পেরেছে এবং বাংলাদেশে বিভিন্ন স্থানে নিয়োজিত ট্যুরিস্ট পুলিশরা সর্বত্র সহযোগিতা প্রদান করেছে জনগণের সেবার জন্য। এছাড়াও বাংলাদেশের অবকাঠামোর বেশ পরিবর্তন লক্ষ করা গিয়েছে।

n  লেখক :চেয়ারম্যান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।