কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তীব্র গরমে ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বর, আমাশয় ও ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু-কিশোররা। এতে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ২০/২৫ দিন ধরে উপজেলা জুড়ে চলছে এ অবস্থা।
রাজারহাট উপজেলা সদর হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগে শতাধিক রোগী অসুস্থ শিশু-কিশোরদের নিয়ে চিকিৎসার জন্য এসেছেন। রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নাজিম খান ইউনিয়নের মনিডাকুয়া, ঝাকুয়ার কুটি, রাঘব, রণজিতেশ্বর, চতুরা, মন্দির, রামহরি, বুড়ির হাট, খিতাব খাঁসহ বিভিন্ন গ্রামে শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি নারী-পুরুষের মধ্যে সর্দি-জ্বর-আমাশয় ও ডায়রিয়াজনিত রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব স্থানের রোগীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভিড় করছেন।
রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান জানান, প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০-১৫০ জন জ্বরে আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। তাদের বেশির ভাগই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। এটি সিজনাল ফ্লু। এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের শরীরের তাপমাত্রা ১০২-১০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠা-নামা করে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।