বিকাল হলেই রাজিবপুর উপজেলার মোড়ে মোড়ে বসে বাহারি ফাস্ট ফুডের দোকান। বিপজ্জনক জেনেও এসব দোকানে প্রতিনিয়ত বাড়ছে খাবারপ্রিয় মানুষের সংখ্যা। এছাড়া কম দামে পাওয়া যায় বলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ক্রেতা। মুখরোচক খাবার খেতে এসব দোকানে ভিড় জমায় শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্করা। তবে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই বেশি।
সরেজমিনে দেখা যায়, দোকানগুলোর সামনে ভিড় লেগেই আছে। কেউ দাঁড়িয়ে, কেউবা বসে খাবার খাচ্ছেন। কেউবা আবার অপেক্ষায়। কি নেই এসব স্ট্রিট ফুডশপে।
শিক্ষার্থী কামাল, মানিক ও রানা বলেন, ‘এখানে কম দামে ভালো, মজাদার অনেক খাবার পাওয়া যায়। কিন্তু একই খাবার রেস্তোরাঁয় অনেক দামে বিক্রি হয়। তাই বন্ধুদের নিয়ে প্রায়ই এখানে খেতে আসি।’
দোকানদার বাবুল বলেন, ‘শিক কাবাবসহ ভুঁড়ি, শিঙাড়া, পিঁয়াজু, পুরি, আলুর চপ, ডিম চপ, বেগুনি বিক্রি করি। খাবারের মান ভালো রাখি। তাই ছাত্র-ছাত্রীসহ সব বয়সের কাস্টমার এখানে খেতে আসেন। বিক্রি ভালোই হয়। তাতে সংসার খরচ চলে যায়।’
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান বলেন, ফুটপাতের এসব খাবারে নানা সমস্যা রয়েছে। এসব খাবার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।