পানির অভাবে সদরপুরের পাটচাষিরা বিপাকে

সদরপুরে পাট চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছেন। অনাবৃষ্টিতে খেতের পাট খেতেই শুকিয়ে যাচ্ছে। পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছেন না। কোনো কোনো স্থানে পুকুর জলাশয়ে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দিয়ে পাট জাগ দিলেও দুই তিন দিন পর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টির পানির অভাবে পাট কেটে জমিতে ধান রোপণ করতে পারছেন না তারা। চাষিদের সারা বছরের পুঁজি খাটিয়ে পাট চাষ করলেও পাট কাটার মৌসুমে এসে পানির অভাবে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। 

সদরপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর, শ্যামপুর, ডিক্রীরচর ও কৃষ্ণপুর এলাকার চাষিরা জানান, তারা ৫২ শতাংশের তিন-চার বিঘা করে জমিতে পাট চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে পুঁজি খাটিয়েছেন। বর্তমানে পানির অভাবে সব পাট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

সদরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিধান রায় জানান, চলতি বছরে সদরপুর উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জমিতে পাট হয়েছে মোটামুটি ভালো। শেষ মুহূর্তে পানির অভাবে চাষিরা পাট জাগ দিতে পারছে না।

তিনি জানান, প্রতিমণ পাটের উৎপাদন খরচ প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা। বর্তমানে বাজারে ভালো মানের এক মণ পাট বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার টাকায়। পাটের বাজারমূল্যে চাষিরা লাভবান হলেও আবহাওয়া বিরূপ হওয়ায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।