‘বৃষ্টির অপেক্ষায় আর থাকা যায় না। শ্যালো নাগান লাগবে’ কথাগুলো বলছিলেন উপজেলার কিসামত হাবু গ্রামের কৃষক ফেরদৌস। বাধ্য হয়ে শ্যালো দিয়ে সেচ দিয়ে আমন চারা লাগিয়েছেন তিনি। ফেরদৌসের মতো লোকমান, হোসেন আলীও শ্যালো মেশিনে সেচ দিয়ে চারা রোপণ করেছেন।
চেংমারী মান্দ্রাইন এলাকার কৃষক নরেন চন্দ্র জানান, তার চাষকৃত তিন বিঘা জমি শুকিয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে মোটর দিয়ে পানি সেচ দিচ্ছেন জমিতে।
ঐ এলাকার কৃষক আমিনুর রহমান বলেন, তার দুই বিঘা জমির পানি শুকিয়ে গেছে। বৃষ্টির অপেক্ষায় আছেন তিনি| প্রায় দেড় মাস ধরে বৃষ্টি নেই। চলছে খরা। চারার বয়সও দিন দিন বাড়ছে। তাই তারা বাধ্য হয়ে সেচ দিয়ে চাষাবাদ করছেন। এতে উত্পাদন খরচ বাড়ছে।
কৃষকরা জানান, বিএডিসি কিংবা বরেন্দ্র ডিপটিউবওয়েলগুলো সচল রাখলেও আমন মৌসুমে সেচ সুবিধা পেত।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম বলেন, এখনই আমন চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। জমিতে পানি না থাকলে সেচ দিয়ে চারা লাগানোই উত্তম। সেই সঙ্গে যেখানে পানি সেচ দেওয়ার মতো নালা নেই, সেখানে ফিতা পাইপ দিয়ে সেচ দিতে বলা হচ্ছে। বৃষ্টির অপেক্ষায় থেকে চারার বয়স বেশি হয়ে গেলে ফলন বিপর্যয় ঘটতে পারে।