গ্রাহক সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি বিদ্যুৎ। আর গ্রাহকের চাহিদা অনুপাতে সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে নাকাল গঙ্গাচড়ার জনজীবন। বর্তমানে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ আওতায় রেশনিং পদ্ধতিতে ফিডারগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে নিদ্রাহীন রাত কাটাচ্ছে গ্রাহকরা।
সূত্র থেকে জানা যায়, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতায় গঙ্গাচড়ায় প্রায় ৮০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। গ্রাহকের সংখ্যা প্রতি মাসে বাড়ছে। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে চার্জার যুক্ত অটো ও রিকশা। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়েনি। এমনিতে ভ্যাপসা গরম তার ওপর লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহকদের দুর্ভোগ চরমে। তবে দিনের চেয়ে রাতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেশি। সন্ধ্যা হতেই রাত ১২টা কিংবা গভীর রাত পর্যন্ত চলে লোডশেডিং।
গ্রাহকরা জানান, দিনে-রাতে ৮-১২ বার লোডশেডিং হচ্ছে।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর গঙ্গাচড়াস্থ জোনাল অফিসের ডিজিএম আব্দুল জলিল বলেন, বুড়িরহাট ও উত্তম সাবস্টেশনের ১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ছয়-আট মেগাওয়াট।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার হারুন অর রশিদ বলেন, লোডশেডিং কমাতে হলে রংপুরে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের প্রয়োজন।