কাশ্মিরে শিশু গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

 

কাশ্মিরের কাঠুয়ায় আট বছর বয়সী শিশুকে গণধর্ষণ, নির্যাতন ও খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ৬ জনের মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে পাঠানকোটের বিশেষ আদালত। বাকি ৩ জনকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে প্রমাণ লোপাট এবং দোষীদের আড়াল করার অভিযোগে। এ তিনজনই হচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তা। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা ও এনডিটিভির

গত বছরের ১০ জানুয়ারি একটি যাযাবর মুসলিম সম্প্রদায়ের ওই শিশুটিকে অপহরণ করা হয়েছিল। তাকে জম্মু ও কাশ্মিরের কাঠুয়ার একটি মন্দিরে আটকে রেখে মাদক খাইয়ে কয়েকদিন ধরে ধর্ষণ করা হয়, এ সময় তাকে কিছু খেতেও দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মাথা থেতলে লাশ জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়।  ১৭ জানুয়ারি জঙ্গল থেকে ওই শিশুর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সারা ভারতজুড়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। এ নির্মম ঘটনার বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামে হাজারো মানুষ। ঘটনাটির তিন প্রধান অপরাধী প্রবেশ কুমার, সাবেক সরকারি কর্মকর্তা সঞ্জি রাম এবং দীপক খাজুরিয়ার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অপর তিনজন সুরেন্দর ভার্মা, আনন্দ দত্ত এবং তিলক দাসের বিরুদ্ধে আদালত ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায় শুনিয়েছে। তবে এ মামলার সপ্তম অভিযুক্ত বিশাল রামকে আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছে। ঘটনায় তার ভূমিকা নিয়ে কোনো প্রমাণ না মেলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

ঘটনাটিতে আদতে মোট ৮ জনের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। এর মধ্যে একজন নিজেকে নাবালক দাবি করে তার অভিযোগের শুনানি বিশেষ আদালতে করার আবেদন জানিয়েছে। আর  বাকি ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।