১০ বছর পর আবারও নারী টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সভা শেষে ২০২৪-২০২৭ সাল পর্যন্ত চক্রের নারী বৈশ্বিক ইভেন্টগুলোর আয়োজকের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি। তাতে ২০২৪ নারী টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ।
টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে। ১০ দলের অংশগ্রহণে মোট ২৩টি ম্যাচ মাঠে গড়াবে। এর আগে ২০১৪ সালে পুরুষদের পাশাপাশি নারী টি-২০ বিশ্বকাপেরও আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। আবারও আয়োজক স্বত্ব পেয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, ‘আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এর আয়োজক স্বত্ব পাওয়াটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য দারুণ এক খবর। বিসিবির পক্ষ থেকে, আমি আইসিসিকে ধন্যবাদ জানাই যে, এমন একটি সময়ে বাংলাদেশকে এই বড় ইভেন্টটি উপহার দেওয়ার জন্য, যখন নারীদের খেলার বিকাশ ও প্রসার ঘটছে। বিশেষ করে, এটি বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেটের জন্য একটি চমৎকার মুহূর্ত হবে। কারণ এই ইভেন্টটি ছোট মেয়ে এবং উঠতি নারী ক্রিকেটারদের বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে।’
সুজনের ভাষ্যমতে, আরো একটি বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট উপহার দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ‘আমাদের নারীরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধীরগতিতে উন্নতি করেছে এবং ঘরের মাঠে এই বৈশ্বিক ইভেন্টটি আদর্শ সুযোগ হবে দেখানোর যে, আমরাও সেরাদের বিপক্ষে লড়াই করতে পারি। বাংলাদেশের হাই প্রোফাইল আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে এবং ২০২৪ সালে আমরা একটি বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট উপহার দেব। এ ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই।’
বাংলাদেশের পর পরবর্তী নারীদের টি-২০ বিশ্বকাপ হবে ইংল্যান্ডে ২০২৬ সালে। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০২৭ সালে অনুষ্ঠেয় নারীদের প্রথম চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আয়োজক হয়েছে শ্রীলঙ্কা।
- টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ভেন্যু
আইসিসির বার্ষিক সভায় চলমান ২০২৩ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে নির্ধারিত করা হয়েছে ঐতিহাসিক লর্ডসকে। শুধু তা-ই নয়, ২০২৫ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালও এখানেই অনুষ্ঠিত হবে।
- চেয়ারম্যান নির্বাচন
আইসিসি চেয়ারম্যান পদের জন্য আগামী নভেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচিত প্রার্থী আগামী দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমানে এই চেয়ারে বসে আছেন গ্রেগ বারক্লে।
- নতুন সদস্য
কম্বোডিয়া, উজবেকিস্তান ও আইভরি কোস্টকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে আইসিসি। এনিয়ে আইসিসির মোট সদস্য তালিকায় নাম আছে ১০৮টি দেশের। সমস্যার সমাধান না করতে পারায় তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে রাশিয়াকে। তাছাড়া পুরোদমে ক্রিকেট চালু করার আগ পর্যন্ত ইউক্রেনের সদস্য হওয়ার আবেদন স্থগিত রেখেছে আইসিসি।