মোংলায় অনিয়ন্ত্রিত লোডশেডিং, অতিষ্ঠ পৌরবাসী

গভীর রাতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মোংলা পৌরবাসী। গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হঠাৎ চলে যায় বিদ্যুৎ। এর পর টানা এক ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ আসে। এর আগে দিনেও কয়েক বার লোডশেডিং দেওয়া হয়। দিনে ও রাতে ঘোষণা বহির্ভূতভাবে ও অনিয়ন্ত্রিত লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বন্দর ও পৌর শহরের বাসিন্দাদের। তবে গভীর রাতে লোডশেডিংয়ের ফলে দোকানপাট ও বাড়িঘরে চুরি-ডাকাতির ভয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা।

পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোহর আলী বলেন, রাত ১২টার পর শহরের ময়লাআবর্জনা পরিষ্কার করতে নামি। গভীর রাতে লোডশেডিংয়ের ফলে সব ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না।

পৌরশহরের শেখ আ. হাই সড়কের দোকানি রুহুল আমিন ও মজিবর গাজী বলেন, রাত ১২টার পর বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে দোকানপাটে চুরির ভয় আছে। পিডিবির মোংলার আবাসিক প্রকৌশলী মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, মোংলায় ৪৫ মেগাওয়াট বিদু্যতের চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে সরবরাহ রয়েছে ৩০ মেগাওয়াট। ঘাটতি থাকছে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। তাই প্রতি দিন দুই ঘণ্টার লোডশেডিংয়ের নির্দেশনা রয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে। তার পরও অন্যান্য জায়গার তুলনায় মোংলায় লোডশেডিং কম হচ্ছে বলে দাবি এই আবাসিক প্রকৌশলীর।