বিরামপুরে পটোলের কেজি ১০ টাকা

বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি কম হওয়ায় এবার বিরামপুর উপজেলায় পটোলের আশাতীত ফলন হয়েছে। খুচরা বাজারে পটোল ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং বেশি দামে বিক্রির আশায় আড়তদাররা শত শত মণ পটোল রাজধানী ঢাকায় পাঠিয়ে দিচ্ছেন। 

উপজেলার মনিরামপুর দাশআড়া গ্রামের পটোলচাষি সোলায়মান আলী জানান, অন্যান্য বছর বর্ষাকালে বৃষ্টির কারণে পটোলের গাছ পচে নষ্ট হয়ে যেত। তবে এবার বর্ষায় বৃষ্টি কম হওয়ায় পটোল গাছের কোনো ক্ষতি হয়নি। ফলে প্রত্যেক চাষির খেতে আশাতীত ফলন হয়েছে। স্থানীয় বাজারে পটোলের ব্যাপক আমদানি হওয়ার ফলে বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি মণ পটোল ৩০০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা দরে বেচাকেনা চলছে। এই পটোল স্থানীয় হাটবাজারে খুচরা ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

পাইকারি আড়তদার জামাল হোসেন জানান, বিরামপুর বাজার থেকে পটোল কিনে রাজধানী ঢাকায় পাইকারি বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করা হয়। বর্তমানে বিরামপুর এলাকার অন্যান্য সবজির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পটোল রাজধানীতে পাঠানো হচ্ছে। মঙ্গলবার বিরামপুর পাইকারি হাটে আড়তদাররা কৃষকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ পটোল কিনে রাজধানীতে পাঠানোর উদ্দেশ্যে বস্তা ভর্তি করছে। 

বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল জানান, উপজেলার পৌর এলাকা এবং মুকুন্দপুর, কাটলা, জোতবানী ও পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নে বর্তমান মৌসুমে ১১০ হেক্টর জমিতে শাকসবজির চাষ করা হয়েছে। অন্যান্য সবজির তুলনায় এবার পটোলের ভালো ফলন হওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমে গেছে।