আবারও রাজনৈতিক সংকটের পথে পাকিস্তান

সম্প্রতি পাঞ্জাব প্রদেশে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে ইমরান খানের তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর বিজয়ের পর একটি অনিবার্য রাজনৈতিক সংকটের দিকে যাচ্ছে পাকিস্তান। ২০ সিটের মধ্যে ১৫টিতে জয় পেয়েছে পিটিআই।

পাঞ্জাবের এই ফলাফল বিড়ম্বনায় ফেলেছে পাকিস্তানের বর্তমান সরকারকে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই ইমরান খান অতিদ্রুত পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন। এই দাবিটি বিতর্কের মূল কারণ এবং ক্ষমতাসীন জোট যদি ইমরানের দাবিতে মনোযোগ না দেয় তবে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং সম্ভাব্য সহিংসতা বৃদ্ধি পাবে পাকিস্তানে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে একটি বিশ্বাস আছে যে, পাঞ্জাবের ক্ষমতা যার কাছে তিনিই সরকার গঠন করেন। বিশেষ করে পিটিআই ও পাকিস্তান মুসলিম লিগ-কোয়াড (পিএমএল-কিউ) জোট হয়ে রাজ্যটির ক্ষমতায় আসার পর ধারণা করা হচ্ছে, শেহবাজের সরকার বেশিদিন পাকিস্তানের ক্ষমতায় আসতে পারবে না।

রাজনৈতিকভাবে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবনতির লাগাম টানতে পারেনি শেহবাজের জোট। এ কারণে যেকোনো মুহুর্তে সেনাবাহিনী কর্তৃক ক্ষমতা গ্রহণ হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে দেশটিতে।

যদিও, বর্তমান সরকার পাকিস্তানে অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচনের কোনো ইচ্ছা পোষণ করেনি। তাদের লক্ষ্য আগামী বছর পর্যন্ত ক্ষমতায় থেকে দেশ শাসন করে। সেই লক্ষ্য কতটুকু কাজে আসবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ পাঞ্জাবে জয়ের পর ইমরান খান আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন।