চলতি মৌসুমে পাঁচবিবিতে পাটের বাম্পার ফলন হলেও তীব্র দাবদাহ ও প্রয়োজনীয় পানির অভাবে পাট জাগ দেওয়া নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। দাবদাহের কারণে জমিতেই মরে যাচ্ছে পাট। পাটের আঁশ শুকিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলার ধরঞ্জী গ্রামের ইউনুছ আলী, শ্রীমন্তপুরের ফারায়েজ হোসেন, রতনপুর গ্রামের মোক্তাদিরসহ একাধিক কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে প্রকৃতিতে চলছে দাবদাহ। কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি না হওয়ায় মাঠের পাট মাঠেই পুড়ছে। এ অবস্থায় পাট কাটার সময় হলেও পাট জাগ দেওয়ার অসুবিধার কথা ভেবে পাট কাটতে পারছি না। অনেকে পাট কেটেও পানির অভাবে জাগ দিতে না পেরে জমিতে স্তূপ করে রেখেছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা এবং কৃষিবিদ লুত্ফর রহমান বলেন, পাট জাগ দেওয়ার আধুনিক রিবন রেটিং পদ্ধতি এ উপজেলায় তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি। কারণ এ পদ্ধতিতে নির্ধারিত সময়ের একদিন পরেও যদি পাট জাগ দেওয়া হয়, তাহলে পাটের আঁশ সঠিকভাবে ছাড়িয়ে নেওয়া যায় না। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দেওয়ায় পরিবেশ দূষিতও হয়। তবে আধুনিকভাবে পাট জাগ দেওয়ার রিবন রেটিং পদ্ধতি সম্পর্কে এই এলাকার কৃষকরা না জানায় এখনো সনাতন পদ্ধতি অবলম্বন করছেন।