বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদকে ২ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (১৪ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহ্কাম উল্লাহর হাতে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।
প্রতি বছর ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জাতীয় আবৃত্তি পদক’ প্রদানের জন্য স্থায়ী আমানত হিসেবে ২ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুদান দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবৃত্তিশিল্পীদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান আহকাম উল্লাহ। তিনি বলেন, ‘অনুদান দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।
অনুদানের ২ কোটি টাকা স্থায়ী আমানত হিসেবে ব্যাংকে রাখা হবে এবং লভ্যাংশের টাকা দিয়ে পদক প্রদান ও অনুষ্ঠানের ব্যয় নির্বাহ করা হবে জানিয়ে আহকাম উল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অনুদান দেশের আবৃত্তিশিল্পকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।
আহ্কাম উল্লাহ বলেন, ২০২০ সাল থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামাঙ্কিত এই পদক প্রবর্তন করে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ। এর আগে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট্রের অনুমোদন নেওয়া হয়। ট্রাস্টের সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা অনুমোদন দেন।
২০২০ সালে পদক ঘোষণা করা হলেও করোনাভাইরাস মহামারী পরিস্থিতির কারণে পদক দেওয়া সম্ভবপর হয়নি। চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি জাতীয় নাট্যশালায় ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় আবৃত্তি উৎসব ২০২০-২০২২’ এর উদ্বোধন এবং ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জাতীয় আবৃত্তি পদক ২০২০-২২’ প্রদান অনুষ্ঠানে একসঙ্গে তিন বছরের পদক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রথমবার ২০২০ সালে পদক পান বরেণ্য আবৃত্তিশিল্পী গোলাম মুস্তাফা (মরণোত্তর)। ২০২১ সালে আশরাফুল আলম ও সৈয়দ হাসান ইমাম এবং ২০২২ সালে ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় ও কাজী মদিনা এই পদক পান।
আহ্কাম উল্লাহ বলেন, প্রতি বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে মার্চ মাসের যে কোনো শুক্রবার এই পদক প্রদান করা হবে এবং শেখ রাসেল জাতীয় আবৃত্তি উৎসব আয়োজন করা হবে।
১৯৮৮ সালের ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ যাত্রা শুরু করে। সংগঠনের বর্তমান সভাপতি আসাদুজ্জামান নূর ও সাধারণ সম্পাদক মো. আহকাম উল্লাহ।