নুসরাতের আগেও শ্লীলতাহানির শিকার হন আরেক ছাত্রী

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফির আগেও আরেক শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের শ্লীলতাহানির শিকার হন। ওই শিক্ষার্থীর পরিবার পরিচালনা পর্যদের সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পি কে এম এনামুল করিমের কাছে অভিযোগ দেন। কিন্তু তিনি কোনো ব্যবস্থাই নেননি। এমনকি নুসরাতের পরিবারও এনামুল করিমের কাছে অভিযোগ করতে গিয়েছিলেন। তিনি উলটো গালমন্দ করে বিদায় করে দেন। ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটির অনুসন্ধানে এসব বিষয় উঠে আসে।

কমিটির সদস্যরা স্থানীয় অনেকের সঙ্গেই কথা বলেন। সেখানে নুসরাত জাহান রাফির আগেও আরেক শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের শ্লীলতাহানির শিকার হওয়ার ঘটনা উঠে আসে। দুই জন সাক্ষী সরাসরি বলেছেন, সভাপতি ব্যবস্থা নিলে নুসরাতকে আর জীবন দিতে হতো না। ঐ তদন্ত রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা হয়েছে।

নুসরাতের পরিবার বলছে, ‘প্রশাসনের সবচেয়ে বড় অভিযুক্ত ব্যক্তি সভাপতি এনামুল। তিনি অপমান অপদস্থ করে আমাদের বের করে দিয়েছেন। আরেক ছাত্রীর অভিযোগ তিনি আমলেই নেননি। অথচ তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই হলো না।’ নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও এখনো বহাল তবিয়তেই আছেন এনামুল করিম। এনামুল করিমের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। এমনকি কোনো তদন্ত কমিটিও করা হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এ নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।