প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১ থেকে ৫ জুন চীনে রাষ্ট্রীয় সফর করবেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর আমন্ত্রণে এই সফরে মূলতঃ রোহিঙ্গা ইস্যু প্রাধান্য পাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকে সামনে রেখে প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছে ঢাকা ও বেইজিং এর কর্মকর্তারা।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, বেইজিং এ চীনা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ লিয়াও মিং এর ডালিয়ান নগরীতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন সামিটে যোগ দেবেন। অত্যাধুনিক বন্দর শহর ডালিয়ান-এ ৩০ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত এই সামিট অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী ২ জুলাই সামিটে অংশ নেবেন ও ভাষণ দেবেন। ৩ জুলাই ডালিয়ান থেকে বেইজিং যাবেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি কিনকিয়াং ও অন্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বেঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী চীনা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যু প্রাধান্য পাবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর প্রসঙ্গে সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ফলে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের উপর চাপ বাড়বে। আমরা চীনকে বলব মিয়ানমার যাতে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। সেজন্য চাপ দিতে হবে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফর করেন। তখন ঢাকা বেইজিং-এর মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২৭টি চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশকে, ২৭ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে এসব চুক্তি সই হয়। প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে দ্বিপাক্ষিক সিদ্ধান্ত ও চুক্তিগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আজ
কূটনেতিক ব্রিফিং
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আজ বুধবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফিং দেবেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণের উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা, সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসহ সার্বিক ইস্যুতে বক্তব্য রাখবেন।