জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল
নার্স শাহিনুর ও শিক্ষার্থী সুমাইয়ার ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিটের ব্যাপারে রুল
ইত্তেফাক রিপোর্ট
ধর্ষিত নারী ও শিশুর পুর্নবাসনে ক্ষতিপূরণ প্রদানে একটি স্ক্রিম (প্রকল্প) গঠন করতে সরকারকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। স্বরাষ্ট্র সচিব, অর্থ সচিব, আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিবসহ সকল বিবাদীকে চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এই রুল জারি করেন। এছাড়া চলন্ত বাসে গণধর্ষণ শেষে হত্যার শিকার নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়া ও রাজশাহীর নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তারের পরিবারকে অর্ধ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না— তাও জানতে চেয়েছে আদালত।
ধর্ষণের শিকার হয়ে গত ১৬ মে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন রাজশাহীর মোহনপুরের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া (১৪)। একই মাসে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে গণধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয় নার্স শাহিনুরকে। এ দুইটি ঘটনা যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেন চিলড্রেনস চ্যারিটি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের (সিসিবি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম। রিটে ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানে একটি প্রকল্প গঠনের জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয়।
আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ব্যারিস্টার হালিম বলেন, আমাদের দেশে ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমনকি এসব ঘটনায় যেসব মামলা হচ্ছে সেসব মামলায় ৯৭ ভাগ আসামি খালাস পেয়ে যাচ্ছে। এটা অশনিসংকেত। এজন্য ধর্ষণের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে। যেটা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে রয়েছে। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে।