রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আস্থাভাজন ও ঘনিষ্ঠ আলেকজান্ডার দুগিনার কন্যা দারিয়া দুগিনাকে গুপ্তহত্যার ঘটনায় ইউক্রেনকে দায়ী করেছে মস্কো। এদিকে কিয়েভ জানিয়েছে, ইউক্রেনে মস্কোর আগ্রাসন শুরুর পর থেকে তাদের প্রায় ৯ হাজার সৈন্য নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) জানায়, মস্কোর উপকণ্ঠে শনিবারের (২০ আগস্ট) শক্তিশালী গাড়ি বোমা হামলায় ইউক্রেনের হাত রয়েছে। ওই হামলায় দুগিনা নিহত হন। দুগিন রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের একজন কট্টর সমর্থক।
রাশিয়ার এক বিবৃতিতে এফএসবি জানায়, ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়। তারা আরও জানায়, বোমাটি দুগিনার গাড়িতে বেঁধে রাখা হয়েছিল।
এই নির্লজ্জ হামলা ছয় মাসের এ সংঘাতকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে এই প্রতিবেদনে জানানো হয়।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুগিনার পরিবারের উদ্দেশে দেওয়া এক শোক বার্তায় এ গুপ্তহত্যাকে একটি ‘জঘন্য অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেন এ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকারকে হত্যার নিন্দা জানান।
এফএসবি বলেছে, এই হত্যার জন্য দায়ী এক ইউক্রেনিয়ান নারী। ১৯৭৯ সালে জন্ম নেয়া এই নারী দুগিনা যে ভবনে থাকতেন সেই একই ভবনে ভাড়ায় থাকতেন। গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের পরে সে ইইউ’র সদস্য এস্তোনিয়ায় পালিয়ে যায়।
এদিকে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ সোমবার তাদের দেশের সৈন্য হতাহতের বিস্তৃত তালিকা প্রকাশ করেছে।
ইউক্রেনের কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল ভলারি জালুঝনি বলেন, দেশটির শিশুদের প্রতি বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন কারণ তাদের বাবারা যুদ্ধ করতে গেছেন এবং অনেক সন্তানের পিতা যুদ্ধ নিহত প্রায় ৯ হাজার বীরের মধ্যে থাকতে পারেন।
ইউক্রেনের মৃত্যু সংখ্যা বিষয়ে জালুঝনির মন্তব্য ছিল গত এপ্রিলের পর ইউক্রেনের সামরিক প্রাণহানির প্রথম ইঙ্গিত।
এদিকে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর ছয় মাস পর বুধবার ইউক্রেন তাদের স্বাধীনতা দিবস পালন করতে যাচ্ছে।
নিরাপত্তা পরিষদের চীনা প্রেসিডেন্সি গত সপ্তাহে বলেছে, ‘এই ছাড়গুলো এখনও প্রয়োজনীয়। কারণ তালেবান কর্মকর্তাদের জন্য ভ্রমণ বিষয়ক মানবাধিকারের সাথে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা অব্যাহতি থেকে সরিয়ে দেয়াকে ‘বিপরীত নীতি’ বলে মনে করে চীন।