ভারতে উদ্ধার হওয়া ৯০ বাংলাদেশি জেলেকে ফিরিয়ে আনতে কোলকতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের চারটি মৎস্যজীবি সংগঠন যৌথভাবে এ স্মারকলিপি দেয়। এর আগে অপর ৩২ জেলেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কোস্টগার্ড দেশে ফিরিয়ে এনেছে।
ভারতের কোলকাতা থেকে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফিসারমেন অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জয় কৃষন হালদার বৃহস্পতিবার বিকেলে মোবাইল ফোনে ইত্তেফাককে বলেন, উদ্ধার হওয়া ৯০ বাংলাদেশি জেলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের চারটি মৎস্যজীবি সমিতির তত্বাবধানে আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছে। তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে কোলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে তাদের নাম ঠিকানা সম্বলিত স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বারকলিপিটি হস্তান্তর করেন ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফিসারমেন অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী জয় কৃষন হালদার, সাউথ সুন্দরবন ফিসারমেন এ-ফিস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সেক্রেটারি হারাধন ময়রা, কাকদ্বিপ ফিসারমেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সেক্রেটারি মেঘনাথ দাস ও রায়দিঘি ফিসারমেন ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ট্রেজারার রবীন দাস।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, কাকদ্বীপে ৪৬ জন, কুলতলিতে ১৭ জন, মথৃরাপুরে ১১ জন এবং কেনিং-২ ব্লকে ১৬ জন বাংলাদেশি জেলে রয়েছেন। এর আগে ভারতীয় কোষ্টগার্ড তাদের জিম্মায় থাকা অপর ৩২ জন বাংলাদেশিকে জেলেকে ২৩ আগস্ট বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র নিয়ন্ত্রণ রেখায় বাংলাদেশ কোষ্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত।
গত ২০ আগস্ট বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে বাংলাদেশি অনেক ফিশিংবোট বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায়। ভারতীয় জেলেরা ও সে দেশের কোস্টগার্ড তাদের জলসীমায় ভাসমান মোট ১২২ জন বাংলাদেশি জেলেকে উদ্ধার করে।