তীব্র খরা, অনাবৃষ্টি ও অস্বাভাবিক লোডশেডিংয়ের কারণে জমিতে সেচ দিতে না পারায় পাকুন্দিয়ায় আমনের খেত ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। মৌসুমের শুরুতেই তীব্র খরায় আমনের অনেক বীজতলা পুড়ে গেছে। এতে আমন চাষ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন উপজেলার প্রান্তিক চাষিরা।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, অব্যাহত খরা ও অনাবৃষ্টিতে ফসলের মাঠ ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। টানা তাপপ্রবাহে অনেকের খেতে লাগানো ধানের চারা পুড়ে যাচ্ছে।
উপজেলার হোসেন্দী এলাকার কৃষক রইছ উদ্দিন জানান, এবার তীব্র খরা ও অনাবৃষ্টিতে খেতের মাটি শুকিয়ে ফেটে যাচ্ছে। সেচের অভাবে চারাগাছ শুকিয়ে হলুদ হয়ে মরে যাচ্ছে। বৃষ্টি না থাকায় এবং লোডশেডিংয়ের কারণে শ্যালো মেশিন দিয়ে আমন ধানের আবাদ করতে অনেক খরচ গুনতে হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নূরে-ই-আলম বলেন, এ বছর উপজেলায় ১০ হাজার ৯৯৬ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। কিন্তু রোপণের শুরুতেই তীব্র খরা ও অনাবৃষ্টির কারণে ধানের চারার আশানুরূপ কুসি গজায়নি। এছাড়াও সেচের জন্য রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশনা থাকলেও ক্রমাগত লোডশেডিংয়ে সম্পূরক সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কৃষকদের নির্ভর করতে হচ্ছে ডিজেলচালিত শ্যালো মেশিনের ওপর। ফলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।