সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সীমান্তের কাছে যৌথ সামরিক মহড়া করছে। এই নিয়ে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) চীন-ভারত সীমান্ত বিরোধে 'তৃতীয় পক্ষের' জড়িত থাকার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র থান খ্য ফেই বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীন-ভারত সীমান্ত ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সংশ্লিষ্ট খবরাখবর খেয়াল করেছি ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতির ওপর নজর দেবো। চীন বরাবরই জোর দিয়ে বলে থাকে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সামরিক সহযোগিতা বিশেষ করে সামরিক মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তৃতীয় কোনে পক্ষের বিরুদ্ধে চালানো উচিত নয়, বরং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার সহায়তা করা প্রয়োজন'।
এই মন্তব্যটি এসেছে যখন মার্কিন ও ভারতীয় বিশেষ বাহিনী ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য হিমাচল প্রদেশে যৌথ মহড়া করেছে। গত ৮ আগস্ট এই মহড়া শুরু হয়।
মার্কিন ও ভারতীয় দুই বাহিনী ১৮ থেকে ৩১ অক্টোবর ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের আউলিতে আরেকটি যৌথ মহড়া শুরু করবে বলে জানা গেছে। এই মহড়াটি বিতর্কিত চীন-ভারত সীমান্ত থেকে ১০০ কিলোমিটারের (৬২ মাইল) কম দূরে অবস্থান করবে।
থান খ্য ফেই বলেন, সীমান্ত সমস্যা হলো চীন ও ভারতের নিজস্ব ব্যাপার। দু’পক্ষ বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রেখে আসছে। এছাড়াও দ্বিপক্ষীয় সংলাপের মাধ্যমে সঠিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাপারেও একমত হয়।
২০২০ সালের জুনে গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় ও চীনা সেনাদের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষের পর দেশ দুইটির মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।