লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে শনিবার (২৭ আগস্ট) রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ছয়টি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় দেশটিতে রাজনৈতিক সংকট এবং বড় ধরণের সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারে সশস্ত্র বাহিনী তাদের প্রতিপক্ষ পূর্বাঞ্চলীয় পার্লামেন্ট স্বীকৃত ফাথি বাশাঘার অনুগত মিলিশিয়াদের একটি বহরের হামলা প্রতিহতের চেষ্টা চালায়। এসময় রাজধানীর ত্রিপিালীর একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। শহরটির বিভিন্ন অংশ থেকে কালো ধোঁয়াও উপরে উঠতে দেখা গেছে।
ত্রিপোলির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সর্বশেষ হিসাবে অনুযায়ী সংঘর্ষে ২৩ জন নিহত এবং ১৪০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে পারেনি অ্যাম্বুলেন্সগুলি।
বেসামরিক জনবহুল এলাকার আশেপাশে নির্বিচারে মাঝারি এবং ভারী গোলাবর্ষণ সহ চলমান সশস্ত্র সংঘর্ষ ‘অবিলম্বে বন্ধ করার’ আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের লিবিয়া মিশন।
লিবিয়ায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড নরল্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেন, সহিংসতা বৃদ্ধির ‘নিন্দা’ করে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় আলোচনা’ করার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
২০১১ সালে নেটোর প্রত্যক্ষ মদদে দীর্ঘদিনের শাসক কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে উৎখাতের পর থেকে আফ্রিকার দেশটি ভয়াবহ অরাজকতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে তা সত্ত্বেও গত দুই বছর লিবিয়া তুলনামূলক শান্ত সময় পার করেছে।