আবেগাপ্লুত হয়ে শেখ পরশ-তাপসকে কাছে টেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঞ্চে অন্যদের সঙ্গে বসা ছিলেন তার ফুফাতো ভাই শেখ ফজলুল হক মনির দুই ছেলে যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) ওই অনুষ্ঠানে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের শোকাবহ দিনের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। নিজের বাবা, মা, ছোট্ট ভাই রাসেলসহ পরিবারের যারা সেদিন ঘাতকের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। ওই হত্যাকাণ্ডে পরশ-তাপসের বাবা শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিও মারা যান। তাদের কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে চোখ ভিজে আসে প্রধানমন্ত্রীর।

আবেগাপ্লুত হয়ে শেখ ফজলে শামস পরশ ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে কাছে টেনে নেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: ফোকাস বাংলা

এসময় পাশে থাকা শেখ পরশ ও শেখ তাপসও নিজেদের ধরে রাখতে পারেননি। দুই ভাই জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সেই দৃশ্য দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তাদের দুই ভাইকে কাছে ডেকে নেন ফুফু শেখ হাসিনা। 

বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশে দাঁড়িয়ে শেখ ফজলে শামস পরশ ও শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: ফোকাস বাংলা

প্রথমে কাছে গিয়ে ফুফুর পায়ে হাত দিয়ে সালাম করেন যুবলীগ সভাপতি পরশ। পরে তার পাশে গিয়ে দাঁড়ান ঢাকা দক্ষিণের মেয়র তাপস।

ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মান্নাফীর সভাপতিত্বে আলোচনা সঞ্চালনা করেন ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি।

শেখ ফজলে শামস পরশ ও শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: ভিডিও থেকে

এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাদেক খান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

আরও বক্তৃতা করেন, আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল, উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের খান ও দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত প্রমুখ।