শেষ হলো হিপহপ কর্মশালা

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আর্টস এনভয় প্রোগাম।  অনুষ্ঠানে ৫৪ জন বাংলাদেশী প্রতিভাবান  শিল্পী  ও ৪ জন  আমেরিকার প্রশিক্ষকের পরিবেশনা ছিল। 

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, গত ৫ দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সাথে অংশীদার হতে পেরে গর্বিত। আমাদের দুই দেশের মধ্যে চলমান বন্ধুত্ব, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও মূল্যবোধের কারণে। ইয়েস একাডেমী বাংলাদেশ  ও যুক্তরাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক রাষ্ট্রদূতের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া , সৃজনশীলতা ও সহযোগিতার বাড়ানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার একটি প্রমাণ ।  

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট এর এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স এবং আমেরিকান ভয়েসেস এর অংশীদারিত্বে পরিচালিত কয়েকটি আর্টস এনভয় প্রোগ্রামের মধ্যে একটি হলো ইয়েস একাডেমি। আর্টস এনভয়  প্রোগ্রামের লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী সমাজের সেরা কাজগুলোর সাথে ব্যক্তি বিশ্বকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে আন্ত: সাংস্কৃতিক ধারণার বোঝাপড়া ও সহযোগিতাকে উৎসাহিত করা এবং তরুণ বয়সীদের মধ্যে মূল্যবোধ -ও আকাঙ্ক্ষা বিশ্বব্যাপী প্রদর্শন করা। 

হিপহপ কর্মশালায় শেষ দিনে পরিবেশনা

এই কর্মসূচির আওতায় তরুণ-বয়সীদের জন্য কর্মশালা আয়োজন, অনুষ্ঠান পরিচালনা ও উদীয়মান তারকা শিল্পীদের পরামর্শ দিতে আমেরিকান পেশাদার শিল্পীদের বিশ্বের দেশগুলোতে পাঠানো হয়। ইয়েস একাডেমি বাংলাদেশ আয়োজিত কর্মশালার নেতৃত্বে ছিলেন  ডেঞ্জারফ্লো ব্যান্ডের সদস্য ও এমসি অ্যাঞ্জেল ‘ওশান’ আলভারাদো, পুরস্কার জয়ী হিপ হপ ভিজে কার্ল  ‘ডিজে ইনভিজিবল’ ইলিয়ার আন্তর্জাতিক বি-বয় চ্যাম্পিয়ন অ্যানেক্স ‘বিবাহ এল নিনো’ ডিয়াজ এবং দুইবারের এনবিসি ফাইনালিস্ট  ‘দি সিং অফ’ রিচি রোবট স্টেইগনার।

ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আমেরিকান ভয়েসেস এর সাথে যৌথভাবে পুরস্কারজয়ী ৪ জন হিপহপ শিল্পীর এক প্রতিনিধিদলকে ঢাকায় আনা হয়েছিল। যারা ২৫ আগষ্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর ৫৪ জন উদীয়মান বাংলাদেশী হিপহপ তারকা শিল্পীদের নিয়ে একটি ধারাবাহিক কর্মশালার আয়োজন করা হয়।  ৮ দিনের এই কর্মশালাটি এডওয়ার্ড  এম কেনেডে সেন্টার ফর পাবলিক সার্ভিস অ্যান্ড আর্টস এ অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৭ সালে চালু হওয়া ইয়ুথ অ্যাক্সিলেন্স অন স্টেজ বা সংক্ষেপে ইয়েস একাডেমী আমেরিকার ভয়েসেস এর সাংস্কৃতিক ক’টনীতির ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি হিসেবে কাজ করে আসছে। যার লক্ষ্য হলো আমেরিকার কয়েকটি শ্রেষ্ঠতম সাংস্কৃতিক ঘরানার উপর বিশ্বজুড়ে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেয়া।