রাজশাহীর পবা উপজেলার রামচন্দ্রপুর ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকায় যৌতুকের জন্য সন্তানের সামনেই সোনিয়া (২২) নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতন ও গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। নিহত গৃহবধূ একই উপজেলার কইরা গ্রামের হানিফের মেয়ে।
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) রামচন্দ্রপুর ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকায় সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন যাবত যৌতুকের জন্য গৃহবধূ সোনিয়াকে (১৮) নির্যাতন করতেন তার স্বামী ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকার মো. নাসির। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে নাজমিন নামে ৪ বছরের এক মেয়ে সন্তানের সামনে ঝগড়া শুরু হয় যৌতুকের টাকা দাবি করাকে কেন্দ্র করে। একপর্যায় স্বামী নাসির সোনিয়াকে মারধর করে ও গলা চেপে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে। পরে বাড়ি থেকে নাসিরসহ সবাই পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলে ওই দম্পতির ৪ বছরের একমাত্র মেয়ে নাজমিন পুলিশকে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
নিহত গৃহবধূর মেয়ে নাজমিন বলে, ‘আমার সামনে আব্বু আম্মুকে গলা টিপে মেরেছে। পরে আম্মুকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের ফ্যানে ঝুলানোর চেষ্টা করে, যখন পারেনি তখন ফেলে পারিয়েছে আব্বু।’
এবিষয় পবা থানার ওসি মো. ফরিদ হোসেন বলেন, ‘নিহত গৃহবধূর বাবার দাবি তার মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করার পরে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। মামলা হলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’