পাঁচ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আটজন নিহত ও অর্ধশত আহত হয়েছে। এর মধ্যে নওগাঁর মহাদেবপুরে তিন বন্ধু, পাবনায় চাচা-ভাতিজা, কুষ্টিয়ার খোকসায় একজন, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় শিশু ও রংপুরের তারাগঞ্জে একজন নিহত হয়। এ বিষয়ে প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
নওগাঁ:মহাদেবপুরে বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন বন্ধু নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কালনা মোড়ে মহাদেবপুর-নজিপুর সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন, উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে সাগর হোসেন, গোলাম রসুলের ছেলে রোহানী এবং দুলাল হোসেনের ছেলে শরিফ উদ্দিন। তারা সবাই এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
পাবনা: বুধবার সকালে পাবনা সদরে ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজা নিহত হন। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের আমিন প্রামাণিকের ছেলে হাফেজ ওয়ালিদ ও একই গ্রামের শফিক প্রামাণিকের ছেলে প্রান্ত হোসেন। তারা সম্পর্কে আপন চাচা-ভাতিজা।
খোকসা (কুষ্টিয়া):কুষ্টিয়ার-রাজবাড়ী সড়কের খোকসার শিমুলিয়ায় গতকাল রাজবাড়ীগামী পদ্মা গড়াই পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে। একজন ঘটনাস্থলেই নিহত ও ২০ জন আহত হয়।
নিহত মোসাদ্দেক উপজেলার কমলাপুর গ্রামের মকছেদ আলীর ছেলে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা):বালু টানা ট্রলির ধাক্কায় মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়া এক বছরের শিশুকে পিষে মেরেছে ওই ট্রলিই। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার হারদী বাজারে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু জুনায়েদ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে। শিশুটি তার বাবা-মার সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে নানা বাড়ি আলমডাঙ্গার বাঁশবাড়িয়া গ্রাম থেকে নিজেদের বাড়ি ফিরছিল।
তারাগঞ্জ (রংপুর):গতকাল সকালে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন স্থানে সড়ক পারাপারের সময় দিনাজপুরগামী হানিফ পরিবহন নামের একটি নাইট কোচ আদেল পাগলা নামের এক ব্যক্তিকে চাপা দিলে সে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। সে উপজেলার ঘনিরামপুর জোতপাড়া গ্রামের মৃত খায়রুল ইসলামের পুত্র।
ফকিরহাটে শিশুসহ আহত ১৪ জন
এদিকে ফকিরহাট (বাগেরহাট) সংবাদদাতা জানান, খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের ফকিরহাট মেগনিশ তলা এলাকায় বুধবার দুপুরে দ্রুতগামী টুংগীপাড়া এক্সপ্রেসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে নারী শিশুসহ ১৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়া হয়। বাসের অধিকাংশ যাত্রী ঈদের ছুটি শেষে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে কর্মস্থলে ফিরছিলেন।