মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ. ম. রেজাউল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চলার পথ কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিলো না। দেশে ফিরেই তাকে তিনভাগে বিভক্ত দলকে সংগঠিত করতে হয়েছে। তার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে বাকশাল গঠন, গণফোরাম গঠন এবং অন্যান্যভাবেও দলের প্রতি অনেকেই আঘাত হেনেছিলেন। দৃঢ়তার সঙ্গে তিনি সবকিছু মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করে দলকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এনেছেন। যা অন্য কারো পক্ষে কখনই সম্ভব হত না। তিনি আল্লাহর নেয়ামত হিসাবে বাঙালি জাতির জীবনে এসেছেন।
বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ।
মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতির জীবনে শেখ হাসিনা আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে এসেছেন। তিনি না আসলে ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ হত। মুক্তিযুদ্ধের যে আকাঙ্ক্ষা ছিলো তা কোনভাবেই বাস্তবায়িত হত না। দরিদ্রপীড়িত বাংলাদেশ আজকে এই সমৃদ্ধি পেত না।
বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৭ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, এমন নজির আর কোথাও নেই। তার ওপর যতবার হামলা হয়েছে ততবার বীরদর্পে তিনি দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছেন। কারো কোন হুমকি ধামকি তাকে পিছপা করতে পারেনি আর পারবেনও না কখনো। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে চলেছেন। আমাদের দেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট হওয়ার কথা কেউ চিন্তা করেনি, তাও প্রধানমন্ত্রী করেছেন। রুপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে চেয়েও পারেনি, বঙ্গবন্ধু কন্যা পেরেছেন। এমন অনেক কর্ম রয়েছে তার। এতো ছোট্ট জীবনে যে এতো কাজ করতে পারেন তার বড় উদাহরণ তিনি। আমরা তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুন নুর দুলাল, ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বশির আহিমেদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. মোখলেসুর রহমান বাদল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা হয়। পরে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে তার দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।