ডেনমার্কের রানী তার চার নাতি-নাতনির রাজকীয় উপাধি কেড়ে নেওয়ার পরে ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু তিনি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেননি। যুক্তরাজ্যের সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রানী দ্বিতীয় মার্গ্রেথে জানান, তিনি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজতন্ত্র চালাতে চেয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু তিনি তার পরিবারের প্রতিক্রিয়া অবমূল্যায়ন করেছেন এবং এর জন্য তিনি দুঃখিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গত সপ্তাহে ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। রাজপুত্র এবং রাজকুমারীর যে উপাধিগুলো তারা এখন পর্যন্ত ধরে রেখেছে তা বন্ধ করা হবে।
রানী মার্গ্রেথের ছোট ছেলে প্রিন্স জোয়াকিম এই পরিবর্তনে বিরক্ত হয়েছেন। তিনি জানান, নিজেদের সন্তানদের সঙ্গে এইরকম খারাপ ব্যবহার করা ঠিক নয়। তারা নিজেদেরকে এমন পরিস্থিতিতে খুঁজে পেয়েছেন যা তারা বুঝতে পারছেন না।
২০২৩ সালের শুরু থেকে জোয়াকিমের চার সন্তান প্রিন্স নিকোলাই (২৩), প্রিন্স ফেলিক্স (২০), প্রিন্স হেনরিক (১৩) এবং প্রিন্সেস অ্যাথেনা (১০) প্রিন্স এবং প্রিন্সেসের পরিবর্তে মনপেজটের কাউন্ট এবং কাউন্টেস উপাধির মাধ্যমে পরিচিত হবেন।
ডেনমার্কে রানির প্রাসাদ জানায়, ডেনিশ রাজার রাজতন্ত্রকে হ্রাস করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।