ঈশ্বরদীতে মন কেড়েছে বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর

ঈশ্বরদীতে দর্শনার্থীদের মন কেড়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর। জাতির পিতার বেড়ে ওঠা ও কর্মময় জীবনের ঘটনাপঞ্জি নিয়ে ধারাবাহিক ১২টি পর্বে নির্মাণ করা ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর দেখে দর্শনার্থীরা অভিভূত। 

ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে আসা ভ্রাম্যমাণ জাদুঘরটি ৯ অক্টোবর পর্যন্ত প্রদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা এটি পরিদর্শন করতে পারবে। 

বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর। ছবি- ইত্তেফাক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরের সুপারভাইজার (সেলুন বেয়ারার) মো. ফরিদ ব্যাপারী বলেন, ১ আগস্ট গোপালগঞ্জ রেল স্টেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরের যাত্রা শুরুর পর ২০টি স্টেশনে দুই থেকে পাঁচ দিন করে প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়। বুধবার বিকালে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে প্রদর্শনের জন্য আনা হয়েছে। এরপর পাকশী রেল বিভাগীয় কার্যালয়ে এটি প্রদর্শন করা হবে। 

ঈশ্বরদী শহরের পূর্বটেংরী কদমতলার আফতাব হোসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন সংগ্রাম, স্বাধীনতা যুদ্ধ আর ইতিহাসের নানা দিক ফুটে উঠেছে অত্যাধুনিক রেল জাদুঘরটিতে। জাদুঘরটিতে ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতার ঐতিহাসিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, সংগ্রামী ঘটনা প্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। যা অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। 

বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরের বগি। ছবি- ইত্তেফাক

ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত সুপারিন্টেনডেন্ট (এসএস) মহিবুল ইসলাম জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলে তার প্রতি সম্মান জানাতেই রেলওয়ে ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক, অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অবর্ণনীয় নির্যাতন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট, মিথ্যা মামলা ও কারাভোগ, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের যে ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে তা নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।