চার্লসের রাজ্যাভিষেক আগামী বছর

দিন ঠিক করলো বাকিংহাম প্যালেস। আগামী বছর ৬ মে রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক হবে। প্রায় তার মায়ের রাজ্যাভিষেকের ৭০ বছর পর। ১৯৫৩ সালের ২ জুন প্রয়াত রানি এলিজাবেথের রাজ্যাভিষেক হয়েছিল। ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে চার্লসের রাজ্যাভিষেকের অনুষ্ঠান হবে তারই কাছাকাছি সময়ে। 

বাকিংহাম প্যালেস থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছেল, রাজ্যাভিষেকের এই অনুষ্ঠান এখন এবং ভবিষ্যতে রাজারভূমিকা নির্ধারণ করবে। এই অনুষ্ঠান হবে প্রথা মেনে। ৭৩ বছর বয়সি চার্লসের রাজ্যাভিষেক মূলত একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান, যা পরিচালনা করবেন আর্চবিশপ জাস্টিন ওয়েলবি। চার্লসের পাশে থাকবেন ক্যামিলা। তার মাথায় উঠবে রানির মুকুট। চার্লস এখনই রাজা, তবে রাজ্যাভিষেক বাকি। রানি এলিজাবেথের মৃত্যুর পরেই চার্লস রাজা হয়েছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়া, ক্যানাডা, নিউজিল্যান্ড সহ ১৪টি কমনওয়েলথ দেশেরও রাষ্ট্রপ্রধান।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে চার্লস 

কিন্তু আনুষ্ঠানিক রাজ্যাভিষেক সাধারণত পরে হয়। রানি এলিজাবেথের ক্ষেত্রে তো প্রায় একবছর সময় লেগেছিল। যখন তার রাজ্যাভিষেক হয়, চার্লস তখন চার বছরের বাচ্চা। এই অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় তখনই আসবে, যখন আর্চবিশপ তাকে অভিষিক্ত করবেন, আশীর্বাদ করবেন। ব্রিটেনের রাজা চার্চ অফ ইংল্যান্ডেরও প্রধান। 

ইউরোপীয় ক্রিশ্চান দেশগুলির মতো ব্রিটিশ রাজপরিবারের দাবি হলো, তাদের সিংহাসনে বসার দাবি ঈশ্বর-স্বীকৃত। 

বাকিংহাম প্যালেসে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলা

ব্রিটিশ মিডিয়ার রিপোর্ট বলছে, চার্লসের রাজ্যাভিষেকে দুই হাজার অতিথি থাকবেন। রানি এলিজাবেথের সময় ছিলেন আট হাজার। মিডিয়ার জল্পনা হলো, খরচ কমানোর জন্যই অতিথির সংখ্যা কম রাখা হয়েছে। চার্লস অবশ্য ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন, তিনি রাজপরিবারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সংস্কার আনতে চান।