হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন রনি

কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। কথা বলা থেকে শুরু করে হাঁটাহাঁটি ও স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছেন তিনি। শঙ্কামুক্ত হওয়ায় তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১৫ অক্টোবর) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আরএমও এস এম আইয়ুব হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

আইয়ুব হোসেন বলেন, রনিকে ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়ে গত সপ্তাহে আমরা মেডিক্যাল বোর্ডে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সে এখন সম্পূর্ণ সুস্থ এবং শঙ্কামুক্ত। তারপরও তাকে মাসখানেক রেস্টে থাকতে হবে।

roni

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর)  রাতে হাসপাতালে বসে রনি তার ফেসবুকে লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, অনেকটা ভালো। এখন আকাশ দেখছি হাসপাতালে বসে। চারপাশের সুন্দর মানুষদের দোয়ায় এবং চেষ্টায় সুন্দর হয়ে উঠছে আমার চারিদিক। আপনাদের কথা কখনো যেন ভুলে না যাই। ভালোবাসা সবার জন্য।

৫ অক্টোবর রাতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এসএম আইউব হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, রনির শারীরিক অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। ৮ অক্টোবর ড্রেসিং করার পরই তাকে ছাড়পত্র দিতে পারবো। তবে কিছু জটিলতা থাকায় সে সময় ছাড় দেয়া হয়নি।

abu-hena

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছিল। এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল উপস্থিত হলে উদ্বোধনী মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয় রনিকে। পরে তিনি কয়েকবার বেলুন ওড়াতে ব্যর্থ হন। কয়েকজন পুলিশ সদস্য বেলুনগুলো মঞ্চের পাশে নিয়ে যান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ লাইনেই মূল মঞ্চে চলে যান।

কিছু সময় পর কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ অন্যরা বেলুনে আগুন লাগিয়ে ওড়ানোর চেষ্টার এক পর্যায়ে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পাশে বসে থাকা কৌতুক অভিনেতা আবু হেনা রনিসহ পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে আশপাশের পুলিশ সদস্যরা পানি ঢেলে আগুন নেভায় এবং গাড়িতে করে দ্রুত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আবু হেনা রনি, মোশাররফ হোসেন ও জিল্লুর রহমানকে শেখ হাসিনা জাতীয় প্লাস্টিক ও বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।