তটিনীর হাসিতে কুপোকাত দর্শক

তানজিম সাইয়ারা তটিনীর হাসিতে কুপোকাত এ সময়ের টেলিভিশন দর্শক। মিষ্টি হাসির জন্য উপাধি জুটেছে—সুহাসিনী। এ নামে নাটকও করে ফেলেছেন তিনি। অবশ্য, ওয়েব সিরিজ ‘তাকদীর’; ও ধারাবাহিক ‘হাউজ নং-৯৬’ তটিনীকে যতটা আলোচনায় এনেছে তার চেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে পিপলু আর খানের ‘কল্পনা’-তে। তটিনী বলেন, ‘কাজটা ছিল স্বপ্নের মতো। সারা যাকের আপা ও জাহিদ হাসান আঙ্কেলের মতো অভিনয়শিল্পীদের সাথে অভিনয় করেছি। তারা বুঝতেই দেননি আমি নতুন। অত্যন্ত আন্তরিকতা ও বিনয়ের সাথে কাজ করেছেন।’ 

গত ঈদে ভিকি জাহেদের ‘বাঁচিবার হলো তার সাধ’ ও মিজানুর রহমান আরিয়ানের ‘সুহাসিনী’-তে দেখা মেলে তটিনীর। রুবেল আনুশের ‘নিউমার্কেট’-এও অভিনয় করেছেন তটিনী। সে কাজটি সাড়া ফেলেছে অন্তর্জালে। সে খোঁজ অবশ্য আছে এ সুহাসিনীর কাছে। বললেন ‘নিউমার্কেট’র জন্য ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এর গল্প ও নির্মাণ চমত্কার ছিল। মাঝে চয়নিকা চৌধুরীর ‘শারদ প্রাতে’-তে অভিনয় করেছি। এ কাজটিও ভালো ছিল।’

তানজিম সাইয়ারা তটিনী

জানা গেছে, ‘জয়া আর শারমিন’ ছবিতে অভিনয় করেছেন তটিনী। এ ছবির বিষয়ে খুব বেশি বলতে চাইলেন না তিনি। শুধু বললেন, ‘এ ছবির বিষয়ে বিস্তারিত বলার সময় আসেনি। আমি ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এ চরিত্রের প্রভাব আছে জয়া আহসানের চরিত্রে। যদিও জয়া আহসান বা মোহসিনা আপার সাথে পর্দা ভাগাভাগি করিনি।’ 

অন্যান্য কাজের খবর জানিয়ে তটিনী বলেন, ‘ফটোশুট করছি। সামনে ইয়াশ রোহান ও তৌসিফ মাহবুবের সাথে দুটো নাটকে কাজ করব। ক’দিন বাদেই শুটিং। এ ছাড়া হইচই’র একটি ওয়েব সিরিজের বিষয়ে আলাপ আলোচনা হচ্ছে।’ 

তানজিম সাইয়ারা তটিনী

টেলিভিশন ও ওয়েব প্ল্যাটফর্মে কাজ করলেও সিনেমা নিয়ে এখনি কিছু ভাবছেন না এ সুহাসিনী। অভিনয় শেখার ইচ্ছে থাকলেও সময় বের করতে পারছেন না। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো পড়াশোনা করছি। আরও বছর দেড়েক লাগবে শেষ হতে। আমার পক্ষে বড় প্রজেক্টে সময় দেওয়া সম্ভব নয়। প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাক্টিং অ্যান্ড ডিজাইনে অভিনয় শেখার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু, পড়াশোনার পাশাপাশি ওখানে যাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। তাই কাজ করতে করতে অভিনয় শিখছি।’

তানজিম সাইয়ারা তটিনী
দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত তটিনী জানালেন, কখনো নেতিবাচক মন্তব্যের শিকার হননি তিনি। তাই দর্শক যখন প্রশংসা করে, তখন সেটি উপভোগ করেন তিনি। অভিনয়ের প্রসঙ্গ তুলে জানতে চাইলাম তটিনীর অন্য এক প্রতিভার বিষয়ে। তিনি চমৎকার  ছবি আঁকেন। তার ভাষ্যমতে, কোভিডের সময় প্রচুর ছবি এঁকেছি। সেদিন আবার আঁকলাম। প্রায় দেড় বছর পর। আসলে, আমি অলস হয়ে পড়েছি।

এদিকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ফ্যাকাল্টির ছাত্রী তটিনী সেমিস্টার ব্রেকে বেড়াতে ভালোবাসেন। এবার ঘুরে এলেন দার্জিলিং। জানালেন, এ সময় একটি কাজের দিনক্ষণ ঠিক হয়েছিল। কাজটি তটিনীর করা হয়নি, ঘুরতে যাওয়ার জন্য।