স্ত্রী হত্যা মামলার আসামি সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার, প্রবাসী সাংবাদিক ও ইউটিউবার ইলিয়াসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গত সোমবার (১৭ অক্টোবর) রাতে নগরের খুলশী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রোর ইনচার্জ পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা। গত বুধবার রাতে এই মামলা দায়েরের বিষয়টি জানানো হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, বাবুল আক্তারের ভাই মো. হাবিবুর রহমান লাবু ও বাবুল আক্তারের বাবা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া।
খুলশী থানার ওসি সন্তোষ কুমার চাকমা বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে মানহানির অভিযোগে পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাবুল আকতারসহ অন্য আসামিরা মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এর অংশ হিসাবে ইলিয়াস হোসেনকে দিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ফেইসবুক ও ইউটিউবে ভিডিও প্রচার করছেন। ভিডিওতে যে বক্তব্য রয়েছে তার মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
পিবিআই হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মামলার আবেদন করেছিলেন বাবুল আক্তার। স্বীকারোক্তি আদায়ে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে গত ৮ সেপ্টেম্বর এই আবেদন করেছিলেন তিনি। ১১ সেপ্টেম্বর একই আদালতে ফেনী কারাগারে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন বাবুল আক্তার। গত ২৫ সেপ্টেম্বর বাবুল আক্তারের মামলার আবেদন খারিজ করে দেন চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালত।
একই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঢাকার ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার।