খুলনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের অবস্থানরত বাসায় অভিযান চালিয়ে দলের ১০-১২ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) রাতে খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম তুহীন এ অভিযোগ করেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ২২ অক্টোবর বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে খুলনায় এসেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খুলনা বিভাগীয় গণসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি নগরীর কেডি ঘোষ রোডের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। রাত সাড়ে ৮টার পর তিনি নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার একটি বাসায় অবস্থান করছিলেন। বাসার আশপাশে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। এসময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১০/১২জন নেতা-কর্মীকে আটক করে ।
বিএনপির দলীয় সূত্র আরো জানায়, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে হোটেলে না থেকে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের বিএনপি সমর্থিত এমপি প্রার্থী খাইরুজ্জামান শিপনের বাসায় বৃহস্পতিবার রাতের খাবার খাওয়াসহ থাকার কথা ছিল গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের। তিনি সেখানে পৌঁছানোর পর নেতা-কর্মীরা তার কাছে সাক্ষাতের জন্য গেলে বাড়িটি পুলিশ ঘিরে ফেলে। পরে সেখান থেকে ১০-১২জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।
মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম তুহীন অভিযোগ করে বলেন, ২২ অক্টোবর বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ যাতে সফল হতে না পারে তার জন্যই আওয়ামী লীগ সরকার পুলিশকে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার পুলিশ জানায়, আমরা ওয়ারেন্টের আসামি আটক করেছি।
এবিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভি করেননি।