ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ নবম মাসে গড়েছে। এই যুদ্ধে রাশিয়া এখন ইরানের সাহায্যে পাওয়ার ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। এতে যুদ্ধে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর দুর্বলতাগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের তৈরি 'শাহেদ-১৩৬' আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনীয় বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। যদিও ইরান এই দাবি অস্বীকার করে আসছে।
এদিকে, ইউক্রেনীয় বাহিনী দক্ষিণ ও পূর্বে আরও বেশি এলাকা দখল করছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণেতারা ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনকে সমর্থন করে যাচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী লুহানস্ক অঞ্চলে ক্রেমিন্নাকে সোয়াতোভের সঙ্গে সংযোগকারী একটি মহাসড়ক দখল করেছে বলে জানা গেছে।
রাশিয়ান সেনারা খারকিভে আক্রমণাত্মক হামলা চালিয়ে তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি তারা ইউক্রেনীয় বাহিনীর কাছে আট হাজার বর্গকিলোমিটার ভূমি হারিয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী জানিয়েছে, তারা এখন এই অঞ্চলের ৫৪৪টি বসতি পুনরুদ্ধার করেছে। মাত্র ৩২টি বসতি এখন রাশিয়ার দখলে রয়েছে।
ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল জানিয়েছেন, রাশিয়া পশ্চিম খেরসন থেকে ডাক্তার, শিক্ষক ও ব্যাংকারদের সরিয়ে নেওয়ার কাজে নতুন দুই হাজার সংগঠিত কর্মী নিয়োগ করেছে।
রাশিয়ার তাস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মস্কোর বাহিনী রাস্তার যুদ্ধের জন্য খেরসন শহরকে প্রস্তুত করছে। এদিকে পশ্চিমা ও ইউক্রেনীয় সূত্র অনুযায়ী, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাচ্ছে।