সম্প্রতি তোষাখানা মামলায় আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচন থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছেন ইমরান খান। কিন্তু পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী যেসব আসনে জিতেছিলেন সেগুলোতে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। মিয়ানওয়ালি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের এমনই একটি আসন। সম্প্রতি সেই আসনে উপ-নির্বাচনে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনকে (ইসিপি) নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। খবর দ্য ট্রিবিউনের।
পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (৩১ অক্টোবর) ইসলামাবাদ হাইকোর্ট এই নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ৯৫ নম্বর আসন মিয়ানওয়ালিতে এখনই উপ-নির্বাচন করা যাবে না।
পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফের প্রধান (পিটিআই) ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানিতে আদালত এই নির্দেশ দেন। তোষাখানা মামলায় ইমরানকে অযোগ্য ঘোষণার পর পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন দেশটির সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৩ (১) অনুসারে ২৪ অক্টোবর ইমরানকে জাতীয় পরিষদের ৯৫ নম্বর আসন মিয়ানওয়ালিকে শূন্য ঘোষণা করেন।
পরে সেই নোটিশের পরপরই ইমরান খানের পক্ষ থেকে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জের আবেদন করা হয়। এর আগে, ২১ অক্টোবর পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন ইমরান খানকে অযোগ্য ঘোষণা করে।
সে সময় ইসিপি জানিয়েছিল, পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান এখন থেকে আর জাতীয় পরিষদের সদস্য নন। ২২ অক্টোবর ইমরান খান ইসিপির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন।
সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত জানান, ইমরান খানের উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু সোমবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট মিয়ানওয়ালী আসনের উপ-নির্বাচনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।