ইংল্যান্ডের সহজ জয়

প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুদিন ফেরানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলো। এরপর বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া ম্যাচে বিপাকে ফেলেছিলো তারা দক্ষিণ আফ্রিকাকেও। তাই মনে হচ্ছিলো, ইংল্যান্ডকে শক্ত লড়াইয়ের মুখে ফেলবে ক্যারিবিয়রা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একপেশে      এক লড়াই হলো গতকালকের ম্যাচে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারালো ইংল্যান্ড।   

আগে ব্যাট করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২১২ রান তুলতে পেরেছিলো ৪৪.৪ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে। জবাব দিতে ইংল্যান্ড নামে মেকশিফট ওপেনার জো রুটকে নিয়ে। তাদের ওপেনার জেসন রয় ইনজুরির কারণে শেষ দিকে মাঠে ছিলেন না। ফলে তিনি শুরুতেই ব্যাট করতে পারেননি। রয়ের অনুপস্থিতি টের পেতে দেননি রুট। বেয়ারস্টোর সাথে ৯৫ রানের উদ্বোধনী জুটি করে ইংল্যান্ডকে জয়ের দুয়ারে নিয়ে যান। জনি বেয়ারস্টো ৪৫ রান করে আউট হলে এই জুটি ভাঙে। এরপর তিন নম্বরে নামা ওকসের সাথে ১০৪ রানের জুটি করেন রুট। ওকস ৪০ রান করে গ্যাব্রিয়েলের দ্বিতীয় শিকার হন। রুট এবারের আসরের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিলেন। সেই সাথে এখন পর্যন্ত চলতি আসরের সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়ে গেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত রুট ঠিক ১০০ রানে অপরাজিত রইলেন।

এর আগে শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কাঁপিয়ে দেন ক্রিস ওকস। দলীয় মাত্র ৪ রানে ওকসের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন এভিন লুইস। এরপর ক্রিস গেইল পরপর কয়েকটা বাউন্ডারি মেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। প্লাঙ্কেট এসে তুলে নেন ৪১ বলে ৩৬ রান করা গেইলের উইকেট। আর সেই হোপকে ১১ রানে ফেরান ক্রিস উড।

এখান থেকে শিরন হেটমেয়ার ও নিকোলাস পুরান একটা জুটি করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ভালো অবস্থায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পার্ট টাইম স্পিনার জো রুট এসে খেলা পুরোপুরি ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেন। পরপর দুই ওয়াবে হেটমেয়ার ও জেসন হোল্ডোরের উইকেট তুলে নেন রুট। এক প্রান্তে পুরান চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। অন্য প্রান্তে রাসেল এসে ১৬ বলে ২১ রান করে উডের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন। এরপরই জোফরা আর্চার পরপর তিনটি উইকেট তুলে নেন। পুরানকে ফেরান ৬৩ রানে। আর পরের বলেই নেন কট্রেলের উইকেট। আর এখানেই শেষ হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিরোধের চেষ্টা।