যুক্তরাষ্ট্রকে পাত্তাই দিচ্ছেন না কিম? 

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৬০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের তত্ত্বাবধানেই এসব ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে দেশটি। গতকাল বুধবারেই দেশটি বিভিন্ন ধরনের সর্বোচ্চ ২৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে।   

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ (জেসিএস) দাবি করেছে, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে অন্তত একটি দূরপাল্লার এবং দুটি স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা বলেছেন, গতকালের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে অন্তত একটি ছিল আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল। আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব লঙ্ঘনের সামিল।  

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বারবার উত্তর কোরিয়াকে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে। তবে কিমের এসব কার্যক্রম দেখে দেশটি যে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি আমলে নিচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। 

missile attack

আল-জাজিরা বলছে, দেশটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে নতুন 'হাইপারসনিক মিসাইল' উৎক্ষেপণের মাধ্যমে তার ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন শুরু করে। এরপর থেকে দেশটি তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ চালিয়ে যাচ্ছে। 

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কিমের উত্তর কোরিয়া ২০০৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ছয়টি পরমাণু পরীক্ষা চালিয়েছে। এ ছাড়া দেশটি এখন তার সপ্তম পরীক্ষার পরিকল্পনা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

kim jong

রিপোর্ট, প্রতিবেশীদের হুমকি দিতে ও এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূমিকে হামলার আওতায় আনতে দেশটি তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এসব কার্যক্রমও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন। 

এ ছাড়া চলমান ইউক্রেন যুদ্ধে পশ্চিমাদের হুমকি উপেক্ষা করে ইরানের মতো রাশিয়াকে উত্তর কোরিয়া অস্ত্র পাঠাচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রই অভিযোগ করেছে, ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর জন্য গোপনে রাশিয়াকে অস্ত্র পাঠাচ্ছে কিমের দেশ। এসব অস্ত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আর্টিলারি শেল ও ড্রোন আছে। বিবিসি, আল-জাজিরা, রয়টার্স