পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানের ডাকা চলমান লংমার্চের ওপর গুলি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইমরান খানকে বহনকারী গাড়ির ওপর অতর্কিতে গুলি চালায় অস্ত্রধারীরা। এতে ইমরান খান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া হামলায় দলের আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পিটিআই নেতা ফয়সাল জাভেদ বলেন, হামলায় দলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইমরান খানকে হত্যার উদ্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
এই হামলার পেছনে কারা জড়িত-এমন সন্দেহভাজন তিনজনের নাম বলেছেন ইমরান খান। তিনি এই তথ্য পিটিআই সেক্রেটারি জেনারেল আসাদ ওমরকে জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আসাদ ওমর বলেন, এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ এবং একজন সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তা জড়িত আছেন বলে সন্দেহ করেছেন।
পিটিআই নেতা মিয়ান আসলাম ইকবালকে পাশে রেখে এক ভিডিও বিবৃতিতে ওমর আরও বলেন, ইমরান খান বলেছেন তিনি আগেই তথ্য পেয়েছিলেন এসব ব্যক্তি তাকে হত্যায় জড়িত থাকতে পারে।
ইমরান খানের বরাত দিয়ে ওমর এই তিন ব্যক্তিকে তাদের পদ থেকে বিতাড়িত করার দাবি করেছেন। তিনি আরও বলেন, ইমরান খান হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এসব নেতাকে তাদের পদ থেকে বের করে না দিলে তার দল দেশব্যাপী বিক্ষোভ করবে। এই দাবি যদি মেনে নেওয়া না হয় তাহলে দলের নেতাকর্মীরা ইমরান খানের নির্দেশের অপেক্ষা করছেন। তিনি যখন ডাক দেবেন তখনই দেশব্যাপী বিক্ষোভ শুরু হবে।
এদিকে এর আগে রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইমরান খানকে হত্যার মিশনে দুইজন জড়িত ছিল। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত এক হামলাকারী গুলিতে নিহত হয়েছে, আরেকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।
ইমরান খানের ওপর গুলি চালানোর কারণ জানিয়েছেন অভিযুক্ত এক হামলাকারী। ক্যামেরার সামনে ওই হামলাকারী বলেন, ইমরান মানুষকে বিভ্রান্ত করছিলেন তাই তাকে হত্যা করছে এসেছি।
হামলাকারী আরও বলেন, মানুষকে বিভ্রান্ত করার বিষয়টি আমি সহ্য করতে পারি নি, তাই তাকে খুন করতে আসছি। আমি তাকে হত্যার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমি শুধু ইমরান খানকে খুন করতে চেয়েছি আর অন্য কেউ না।