মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেলা রহমত উল্লাহ। উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রমজান আলী জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের কাংশা গ্রামের এক নাবালিকা মেয়ে, সিংগাইর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে তাড়াহুড়া করে বিয়ে দিচ্ছেন তার অভিভাবকরা। পাত্র ধামরাই এলাকার এক ছেলে। এ খবর পেয়ে ইউএনও রাহেলা রহমত উল্লাহ পুলিশ নিয়ে ঐ বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন। মেয়েটি প্রাপ্তবয়স্কা না হওয়া পর্যন্ত অভিভাবকরা তাকে বিয়ে দিতে পারবেন না, এই মর্মে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেন তিনি। চেয়ারম্যান আরো বলেন, ইউএনও আসার আগেই বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে আমি চৌকিদার পাঠিয়ে বিয়ের প্যান্ডেল ভেঙে দেই এবং কাজীকে আটকে দেই। ইউএনও রাহেলা রহমত উল্লাহ উপস্থিত গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কোনোমতেই বাল্যবিয়ে দেওয়া যাবে না। আর যদি কেউ সরকারি এ আদেশ অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ সময় তিনি বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে সেই নাবালিকা মেয়েটিকে ধারণা দেন।