টি-২০ বিশ্বকাপের অঘোষিত কোয়াটার ফাইনালে বাংলাদেশের দেওয়া ১২৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে পাকিস্তান। ১০ ওভার শেষে কোন উইকেট না হারিয়ে ৫৬ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান। তবে ১১ তম ওভারের তৃতীয় বলে বাংলাদেশকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন স্পিনার নাসুম আহমেদ।
প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে উইকেটের পেছেনে ক্যাচ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে তাসকিনের ভাগ্য খারাপ। তার বলে ক্যাচ মিস করেন উইকেটরক্ষক নূরুল হাসান সোহান। জীবন পেয়ে পরের বলেই ছক্কা হাকান০ রিজওয়ান। পরের বল ডট করেন তাসকিন। ৬ রান দিয়ে ওভার শেষ করেন তাসকিন।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন স্পিনার নাসুম আহমেদ। এই ওভারে পাঁচ রান দেন নাসুম। তৃতীয় ওভারে ফের বোলিংয়ে আসেন পেসার তাসকিন আহমেদ। প্রথম তিন বল ডট করার পর চতুর্থ বলে তাকে চার মারেন বাবর আজম। পরের শেষ দুই বল ডট দিয়ে ওভার শেষ করেন তাসকিন। প্রথম ৩ ওভার শেষে কোন উইকেট না হারিয়ে ১৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে আসেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে পর পর দুটি চার মারেন রিজওয়ান। শেষ বলে এক রান দিয়ে ওভার শেষ করেন সাকিব।
পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে আসেন মোস্তাফিজুর রহমান। এই ওভারে ৭ রান দেন তিনি। এরপর ইনিংসের ছষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসেন স্পিনার নাসুম আহমেদ। প্রথম বলে ১ রান দেওয়ার পর পরের চার বল ডট দেন। আর শেষ বলে এক রান দিয়ে ওভার শেষ করেন নাসুম।
ইনিংসের সপ্তম ওভারে তিন রান দেন মোস্তাফিজ। এরপর ইনিংসের অষ্টম ওভারে আবারও বোলিংয়ে আসেন নাসুম আহমেদ। এই ওভারে শেষ চার বলে চার সিঙ্গেল নেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার।
ইনিংসের নবম ওভারে ম্যাচে প্রথমবারের মতো বোলিংয়ে আসেন পেসার এবাদত হোসেন। এই ওভারে ৬ রান দেন তিনি। এবাদতের পর দশম ওভারে নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে বোলিংয়ে আসেন সাকিব। ওভারের চতুর্থ বলে চার মারেন রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত ১০ ওভার শেষে কোন উইকেট না হারিয়ে ৫৬ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।
ইনিংসের ১১ তম তৃতীয় বলে নাসুমকে সুইপ করতে গিয়ে টপ এডজ হয়ে মোস্তাফিজের হাতে ধরা পড়ে বাবর আজম। দলীয় ৫৭ রানে ৩৩ বলে ২৫ রান করে আউট হন বাবর আজম। এরপর ইনিংসের ১২ তম ওভারে বল করতে এসে ওভারের দ্বিতীয় বলেই রিজওয়ানকে সাজঘজরে ফেরান পেসার এবাদত হোসেন। দলীয় ৬১ রানে ৩২ বলে ৩২ রান করে আউট হন রিজওয়ান। ১২ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৬৮ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।