নারী জাগরণের কালজয়ী আবৃত্তি ‘চুপ থেকো না মেয়ে’ মঞ্চস্থ

‘দৃষ্টি বগুড়া জেলা শাখা’র উদ্যোগে মঞ্চস্থ হলো আবৃত্তি প্রযোজনা ‘চুপ থেকো না মেয়ে’। নান্দনিক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে নারী জাগরণের কালজয়ী ইতিহাস মঞ্চে তুলে এনেছেন সংগঠনের আবৃত্তি শিল্পীরা। গত শনিবার বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এটি মঞ্চস্থ হয়।

‘চুপ থেকো না মেয়ে’র পান্ডুলিপি লিখেছেন ও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রতীক ইজাজ। প্রযোজনার পরিকল্পনা ও ভাবনায় ছিলেন শ্রাবণী সুলতানা। 

এতে অংশ নেন সংগঠনের আবৃত্তি শিল্পী সাবেকুন নাহার মৃত্তিকা, ওমর ফারুক, মোস্তাকিম ইসলাম, আনহা তাসিন, সঞ্জয় কুমার জয়, আফসানা সিম্ফনী সিমী, মশিউর রহমান হ্যাপি, সাবিহা তাছরিন, কানিজ বারী তানমি, শ্রাবণী সুলতানা, রওশন আরা পারভীন সাথী, জাকারিয়া পারভেজ ও প্রতীক ইজাজ। মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন মশিউর রহমান হ্যাপি ও সঞ্জয় কুমার জয়। আবহ সংগীত করেছেন জুলকার নাঈন ও ইরতেজা নুরেন তাহারাত। প্রযোজনার আমন্ত্রনপত্র ডিজাইন করেছেন তৌহিন হাসান।

ছবি: সংগৃহীত

আবৃত্তি শেষে উন্মুক্ত আলোচনায় নানা দিক নিয়ে কথা বলেন প্রতীক ইজাজ। পরে প্রযোজনার ওপর অনুভূতি ব্যক্ত করেন বগুড়া সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ সভাপতি এবিএম জিয়াউল হক বাবলা, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির, নজরুল পরিষদ বগুড়ার সভাপতি অ্যাডভোকেট মনতেজার রহমান মন্টু, রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ বগুড়ার সভাপতি শ্যামল বিশ্বাস, থিয়েটার আইডিয়ার পরিচালক নিভা রানী সরকার ও দৃষ্টি বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাক ইবনে মাহবুব শুভ।

এতে গাওয়া হয়েছে এমন কিছু গান, যা নারী জাগরণের অন্তর্নিহিত শক্তি হয়ে উঠেছে। লোকজ ধাঁচে গাওয়া এসব গানের সুর ও কথা সংগঠনের নিজের। নিজেরাই গেয়েছেন, বাজিয়েছেন ঢোল ও কর্তাল। গান, কথা, সুরের উপস্থাপনায় শ্রোতারা উদ্বেলিত হয়েছেন বাঙালি নারীর অদম্য সাহসে।
  
৩৫ মিনিটের এ আয়োজনে নারী জাগরণের কালজয়ী ইতিহাস আবৃত্তি করেন শিল্পীরা। কখনো একক, কখনো দ্বৈত, কখনোবা সম্মেলন কণ্ঠে  উচ্চারিত হয় পাণ্ডুলিপি। সঙ্গে যুক্ত হয় ঢোল ও কর্তালের সুর। বিষয়ভিত্তিক লোকজ-ফর্মের গান প্রযোজনাকে দেয় নতুন মাত্রা।