লিভ-ইন পার্টনার আফতাব আমিন পুনাওয়ালা শ্রদ্ধা ওয়াকারকে খুনের কথা স্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) দিল্লির আদালতে দাবি করেছেন, তিনি তার প্রেমিকাকে রাগের মাথায় খুন করেছেন। জি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন আফতাবকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচারকের সামনে হাজির করা হয়। সেখানেই অপরাধ কবুল করেন তিনি। এদিন আদালতে আফতাব দাবি করেন, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছেন। কিন্তু অপরাধ অনেক আগেই সংঘটিত হয়েছে। তাই পুরো ঘটনা মনে করতে কষ্ট হচ্ছে তার।
তবে আফতাব কতটা সত্য বলছে তা জানতে পলিগ্রাফ পরীক্ষা করতে যাচ্ছে পুলিশ। এদিকে আসামি হত্যার কথা স্বীকার করলেও হত্যার হাতিয়ার, লাশের অংশ ও ফোন পায়নি পুলিশ। সেগুলোর খোঁজে তল্লাশি চলছে।
উল্লেখ্য, প্রেমিকা শ্রদ্ধা ওয়াকারের লাশ দিল্লি শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়েছিল প্রেমিক আফতাব। তিনি ১৮ দিন ধরে এটি করেন। শ্রদ্ধার অপরাধ সে তার প্রেমিককে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। তবে আফতাবকে ভালোবেসে তিনি তার পরিবার, চাকরি, শহর ছেড়ে দিল্লিতে চলে আসেন।
এ ঘটনায় আফতাবের প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ চরম ক্ষুব্ধ। আফতাবের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ আরও ৪ দিন বাড়িয়েছে আদালত।
আফতাবের ফ্ল্যাট থেকে ভারী ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, ওই অস্ত্রের সাহায্যে তিনি প্রেমিকা শ্রদ্ধা ওয়াকারের লাশ টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলেন।
একটি সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেছে যেখানে আফতাবকে কাকভোরে তার বাড়ির বাইরে হাঁটতে দেখা গেছে। তার সঙ্গে দুইটি ব্যাগ ছিল। ওই ব্যাগের মধ্যেই তার প্রেমিকার দেহাংশ ছিল বলে ধারনা করছে পুলিশ।