সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক নাশকতার অভিযোগে খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পীসহ ৮০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
রোববার (৪ ডিসেম্বর) রাতে খুলনা সদর থানার এসআই শাহীন কবির বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মহানগর ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ছাড়াও মামলার আসামিরা হলেন, মো. হোসেন, মো. ইয়াসিন সানা, মো. মিরাজ হাওলাদার, মো. ইসতিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, মোঃ মাসুদ পারভেজ বাবু, হেলাল আহম্মেদ সুমন, মো. মাসুদ খান বাদল, এবাদুল হক রুবায়েত, মো. মতিউর রহমান বুলেট, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, মাহমুদ হাসান বিপ্লব, রবিউল ইসলাম রবি, মো. শফিকুল ইসলাম শফি, মফিজুল সরদার, বেলাল হোসেন গাজি, হেলাল হোসেন গাজী, মো. ফরিদ মোল্লা, গাউস ওরফে কুলি গাউস, পাভেল, জামাল, ইয়াকুব, খাইরুজ্জামান সজিব, রাজ্জাক, মো. আসাদুজ্জামান মিঠু, মো. আলতাফ, রুম্মান, মো. জাহিদ, মো. রাজিব, জি এম তারেক, টুকু, কালু, আলাউদ্দিন, মো. তাজিম বিশ্বাস, রাসেল, আরিফ, রমজান।
মামলার এজহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, ৩ ডিসেম্বর রাতে আসামিরা বর্তমান সরকার উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে খুলনা টেলিকমিউনিকেশন ভবন (কেপিআই) ধ্বংসের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ তথা তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতিসহ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক নাশকতা করার উদ্দেশ্যে সমবেত হয়।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান আল মামুন জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ককটেলসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতাররের চেষ্টা চলছে।
খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, গত ৩ ডিসেম্বর রাতে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ১০ ডিসেম্বরের ঢাকার সমাবেশকে সামনে রেখে পুলিশ গণগ্রেফতার, নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি ও গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।