ছিলেন সাইড বেঞ্চে, সেখান থেকে বদলি হিসেবে মাঠে নামলেন ম্যাচের ৭৯ মিনিটে। বদলি নামার এক মিনিটও পার হয়নি। মরক্কোর জালে বল জড়িয়ে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে এগিয়ে নিয়ে ফাইনাল প্রায় নিশ্চিত করে ফেললেন র্যান্ডাল কলো মুয়ানি।
বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১টায় আল-বায়াত স্টেডিয়ামে ফরাসিদের বিপক্ষে মাঠে নামে চমক দেখিয়ে শেষ চারে ওঠা মরক্কো। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে মরক্কোর জালে প্রতিপক্ষের কোনো খেলোয়াড় বল জড়াতে পারেনি। সেমিফাইনালে এসে মরক্কোর সেই অক্ষত জালে বল জড়াতে মাত্র ৫ মিনিট সময় নিলো ফ্রান্স।
ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই ডি-বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া শটে মরক্কোর জালে বল জড়িয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ১-০ গোলের লিড এনে দেন থিও হার্নান্দেজ। এরপর আপ্রাণ চেষ্টা করেও আর গোলের দেখা পাচ্ছিলো না ফ্রান্স। সেশ্মেষ ম ইয়াচের ৭৯ মিনিটে বদলি নেমে ফ্রান্সকে দ্বিতীয় গোল এনে দিলেন মুয়ানি।
ম্যাচের মাত্র ৫ মিনিটেই ডি বক্সের ডান দিক থেকে ডি বক্সের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এমবাপ্পের কাছে বল বাড়ান গ্রিজম্যান। ডি বক্সের ভেতর বল পেয়ে শটও করেন এমবাপ্পে। তবে তা ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে গিয়ে পড়ে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা লেফটব্যাক থিও হার্নান্দেজের পায়ে। সেখান থেকেই মরক্কান গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। হার্নান্দেজের দেওয়া গোলে ম্যাচের শুরুতেই লিড পায় ফ্রান্স।
প্রথম গোল পাওয়ার পর থেকে দ্বিতীয় গোলের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকে ফ্রান্স। মরক্কোও একের পর এক আক্রমণ করে গেছে গোল পরিশোধের। তবে কোনদলই গোলের দেখা না পেলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে গোল শোধের জন্য ফ্রান্সের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে মরক্কো। টানা আক্রমণে ফরাসি রক্ষণভাগকে তটস্থ রেখেছিলো মরক্কানরা। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা আর পায়নি তারা।
খেলার ধারার বিপরীতেই ম্যাচের ৭৯ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। গোছানো আক্রমণ থেকে ডি বক্সের ভেতরে এমবাপ্পের পাস থেকে বল পেয়ে গোল করেন বদলি নামা কলো মুয়ানি। বদলি নামার এক মিনিটের ভেতরেই মরক্কোর জালে বল জড়িয়ে ফ্রান্সকে ২-০ গোলের লিড এনে দেন মুয়ানি।