দেশে ফিরলো পাচার হওয়া ছয় তরুণী

তেতুলিয়া সংবাদদাতা ও পঞ্চগড় প্রতিনিধি

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচার হওয়া ছয় কিশোরী ও তরুণী দেশে ফিরেছে। রবিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ফেরত দেয়া হয়।

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ৫১ বিএন বিএসএফের কমান্ড্যান্ট শ্রী কে উমেশ আনুষ্ঠানিকভাবে পঞ্চগড় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ১৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ এরশাদুল হকের কাছে তাদের হস্তান্তর করেন। এ সময় তেঁতুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা, বাংলাবাস্থা স্থলবন্দরের কাস্টমস কমর্ককর্তা ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারত থেকে ফেরত আসা কিশোরী ও তরুণীরা হলেন- নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের বাবলু শেখের মেয়ে আয়শা খাতুন (১৭), খুলনা সদর বাগমারী গ্রামের মো. মহারাজ মির্জার মেয়ে মায়া লাক্কী (২৪), পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার তোলাতুলি গ্রামের কালাম গাজীর মেয়ে মোছা. শারমিন (২৫), বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার দাবারা গ্রামের ইউসুফ শেখের মেয়ে মনিরা শেখ (১৭), খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার বলিচন্দ্র গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে পাখি শেখ (১৯) ও যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের আচর আলীর মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন (২৫)।

পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ এরশাদুল হক জানান, বিএসএফ বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে তাদের নিয়ে আসে। পরে তারা আমাদের হাতে হস্তান্তর করেন। আমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করি।

তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি জহুরুল ইসলাম বলেন, ওই  ছয় কিশোরী ও তরুণীকে দালালরা চাকরির প্রলোভন দিয়ে ভারতে পাচার করে। তারা চেন্নাই পুলিশের কাছে ধরা পড়েন। এরপর তাদের চেন্নাইয়ের একটি সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়। পরে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরত আনা হয়। তরুণীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।