ভারত ও বাংলাদেশের চক্ষু চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে গোপালগঞ্জে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের প্রথম বার্ষিক ফনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) হাসপাতালের হল রুমে অনুষ্ঠিত এই কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. সৈয়দ মেদাচ্ছের আলী।
বঙ্গমাতা চক্ষু হাসপাতাল এবং অফথালমোলজিক্যাল সোসাইটি অফ বাংলাদেশ (ওএসবি) যৌথভাবে আয়োজিত এই কনফারেন্স প্রধান অতিথি ছিলেন এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমি অফ অফথালমোলজির প্রেসিডেন্ট প্রফেসর আভা হোসেন।
কনফারেন্সে সভাপতি বঙ্গমাতা চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসর ডা. নাহিদ ফেরদৌসী বলেন, ২০১৫ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই হাসপাতালের সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষের চক্ষু চিকিৎসা ও অপারেশন সেবা দিয়ে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি। আউটডোরে প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৭০০ রোগীর চোখের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এছাড়া অপারেশন সেবা চালু রয়েছে।
তিনি বলেন, এখান থেকে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী চক্ষুরোগের আধুনিক চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। আমরা কমিউনিটি ক্লিনিক ও আট জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ভিশন সেন্টার স্থাপন করেছি। আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বঙ্গমাতা চক্ষু হাসপাতাল থেকে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে ভিশন সেন্টারে আসা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।
হাসপাতালের পরিচালক বলেন, এই হাসপাতালের চিকিৎসার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে আমরা এই কনফারেন্সের আয়োজন করেছি। এতে ভারত ও বাংলাদেশের খ্যাতনামা চক্ষু চিকিৎসকদের পাশাপাশি তরুণ চিকিৎসকরা অংশ নিয়েছে। এই কনফারেন্স থেকে লভ্য জ্ঞান প্রয়োগ করে আমাদের উদীয়মান চিকিৎসকরা আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।