মিছিলে থাকা নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন তানোর থানার ওসি

রাজশাহীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমাবেশ উপলক্ষে তানোর উপজেলার যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ নেতৃত্বে বুধবার (২১ ডিসেম্বর) যুবলীগের মিছিল বের হয়। ওই মিছিলের সামনের সারিতে তানোর থানার ওসির উপস্থিতির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

অভিযোগ উঠেছে, ওসি কামরুজ্জামান যুবলীগের বহরের একটি গাড়িতে চড়ে তানোর থেকে বানেশ্বরে যান। ওই বহরে ১৮টি মাইক্রোবাসে ১৪ জন করে নেতাকর্মী ছিলেন। তাদের সঙ্গে ওসি কামরুজ্জামানও ছিলেন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তানোর উপজেলা যুবলীগের ওই গাড়ির বহর বানেশ্বরে পৌঁছে। গাড়ি থেকে নেমেই নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে বানেশ্বর সরকারি কলেজে মাঠে আয়োজিত ‘মাদক সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী সুধী সমাবেশে’ যোগ দেন।

এ ব্যাপারে তানোর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, যুবলীগের মিছিলটি ‘লাইন ক্লিয়ার’ করে নিয়ে যাওয়ার জন্য ওসি মিছিলে ঢুকেছিলেন। এজন্য যুবলীগের বহরের একটি গাড়িতেই ওসি তানোর থেকে বানেশ্বর আসেন। ওই ছবি তুলে যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না নিজেই ‘ময়না চেয়ারম্যান’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে ওসি কামরুজ্জামান বলেন, যুবলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন, সেই সময় তিনিও দাঁড়িয়েছিলেন। ওই ছবিই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফেসবুকে দিয়েছেন। 

তিনি বলেন, এটা তো পুলিশেরই অনুষ্ঠান। অর্থাৎ সমাবেশের আয়োজক পুলিশ। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় মাদক সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী সুধী সমাবেশে ভাষণ দেবেন। এ জন্য আমি এলাকার লোকজন নিয়ে গেছি। তাছাড়া যুবলীগের মিছিলে আমি যাব কেন। বরং যুবলীগই পুলিশের সমাবেশে গেছে।